অনেকেই নিজের জীবনে অনেক রকম নিয়ম মেনে চলেন। তার মধ্যে কিছু নিয়মের যৌক্তিকতা রয়েছে, কোনও নিয়মের নেই। তবে প্রত্যেক মানুষের বিশ্বাসের কাছে হার মানে সব যুক্তি, তর্ক। কিছু নির্দিষ্ট দিন রয়েছে, যে দিন কিছু কাজ করতে নেই বলে বিশ্বাস প্রচলিত রয়েছে।

প্রতিটি দিনই কোনও না কোনও ভগবানের নামে উৎসর্গীকৃত। তাই সেই ভগবান রুষ্ট হন, এমন কোনও কাজ সেই দিনগুলিতে করতে নেই বলেই মনে করা হয়। তেমনই রবিবার সূর্যদেবের দিন বলে ধারণা প্রচলিত রয়েছে। এই দিন সচরাচর ছুটির দিন বলে বিশেষ কোনও নিয়ম আমরা মেনে চলি না। কিন্তু কিছু কাজ রয়েছে, যা রবিবার করতে নেই। তাতে প্রকোপ পড়ে জীবনে।

সুখ সমৃদ্ধি বজায় রাখতে নানা টোটকা মেনে চলি আমরা। কিন্তু তার কোনটা ফল দেবে, কোনটা দেবে না, তা বোঝা যায় না। তবে বলা হয় রবিবার সূর্যদেবতার দিন, তাই এই দিন তাঁর প্রকোপ থাকে অনেক বেশি। সূর্য থেকে অনেক বেশি পরিমাণ শক্তি মেলে এদিন। এই গ্রহে প্রাণের সৃষ্টি, উৎস ও ধ্বংসের চাবিকাঠি রয়েছে সূর্য দেবতার হাতে বলেই মনে করা হয়।

রবিবার কিছু কাজ একদমই করতে নেই। তা না মানলে জীবনে সুখ সমৃদ্ধি নষ্ট হয়, আর্থিক ক্ষতিও হতে পারে। কিন্তু কী সেই কাজগুলি, যেগুলো করলে সূর্যদেব কুপিত হতে পারেন। জ্যোতিষ শাস্ত্র জানাচ্ছে

১. রবিবার কখনই সূর্যদেবকে না দেখে স্নান করবেন না। প্রথমে একবার দর্শন করেই স্নান করতে যাবেন
২. সূর্যাস্তের আগে কোনও খাবারের বা কোনও কাজে নুন ব্যবহার করবেন না। তা অশুভ বলে মনে করা হয়।
৩. সরষের তেল রবিবার মালিশ করবেন না
৪. দুধ ফোটাবেন না
৫. রবিবার চুল কাটাবেন না
৬. রবিবার মদ্যপান করা ও মাংস খাওয়া নিষিদ্ধ
৭. তামার তৈরি কোনও জিনিস কেনা বা বিক্রি করবেন না রবিবার
৮. রবিবার নীল, কালো ও ছাই রংয়ের কোনও পোশাক পরবেন না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।