কার্তিক মাসের শুক্লা দ্বিতীয়ায় ভাইফোঁটার উৎসব হয়। এই বিশেষ দিনে চন্দনের ফোঁটা নিজের কনিষ্ঠা আঙুল দিয়ে ভাইয়ের কপালে ফোঁটা পরিয়ে দেন দিদি-বোনেরা। কপালে ফোঁটা পরিয়ে ভাইয়ের-দাদাদের জন্য দীর্ঘজীবনের জন্য প্রার্থনা করেন দিদি বোনেরা।

আজকের দিনে, অর্থাৎ ১৬ নভেম্বর সোমবার ভাইফোঁটা পালন করা হবে। জ্যোতিষদের মতে, শুভ মুহুর্তে ভাইফোঁটা পালন উপকারী হবে। আবার রাহু কালে ভাইফোঁটা দেওয়া এড়িয়ে চলা উচিৎ।

জ্যোতিষরা জানাচ্ছেন, ভাইফোঁটা দেওয়ার শুভ সময় দুপুর ১২ টা ৫৬ থেকে থাকবে ৩ টে ০৬ পর্যন্ত। অর্থাৎ ২ ঘন্টা ৯ মিনিট শুভ সময় থাকবে।

যদি কোনও কারণে আপনি শুভ সময়ে আপনার ভাইকে ফোঁটা দিতে না পারেন, তবে অভিজিৎ মুহুর্তে ফোঁটা দিতে পারেন। অভিজিৎ মুহূর্ত থাকবে সকাল ১১ টা ৪৪ থেকে ১২ টা ২৭ অবধি।

জ্যোতিষ অরুনেশ কুমার শর্মা জানিয়েছেন, সকাল সাড়ে ৭ টা থেকে সকাল সাড়ে ৯ টা অবধি থাকছে রাহু কাল। এসময় ভাইফোঁটা উদযাপন এড়িয়ে চলুন। এই সময়ের আগে বা পরে উত্সব উদযাপন করুন।

এদিন বোনেরা সকালের স্নানের পরে তাদের ইষ্ট দেব, ভগবান বিষ্ণু বা গণেশের পূজা করেন। ছড়া কাটার পাশাপাশি মাথায় ধান ও দুর্বার শীষ রেখে শঙ্খ বাজিয়ে, উলুধ্বনি দিয়ে ভাই বা দাদাদের দীর্ঘায়ু কামনা করেন বোন ও দিদিরা৷সারা দেশেই এই উৎসব পালিত হয়৷ স্বাভাবিকভাবে এই বিশেষ দিনে ভাই/দাদা ও দিদি/বোন-রা পরস্পরের সঙ্গে মিলিত হন৷

পশ্চিমবঙ্গে এই উৎসবের নাম ভাইফোঁটা হলেও নেপাল ও এরাজ্যের দার্জিলিং এলাকায় এই উৎসবের নাম ভাইটিকা৷একইভাবে পশ্চিম ভারতে এটি ভাইগুজ নামে পরিচিত। মহারাষ্ট্র, গোয়া ও কর্ণাটকে ভাইফোঁটাকে বলা হয় ভাইবিজ৷ বিভিন্ন এলাকায় পৃথক নাম হলেও চন্দনের ফোঁটা পরিয়ে মিষ্টি মুখ করানোর রীতি সর্বত্রই একই৷ শুধু তাই নয় এই বিশেষ দিনে ভাই-বোনেরা পরস্পরের উপহার দিয়ে থাকেন৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.