স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: নোভেল করোনা প্রতিরোধে জেলার হাটবাজার গুলিতে বিশেষ সচেতনতা প্রচার শুরু হল। প্রতিটি হাটে এব্যাপারে লিফলেট বিলির মাধ্যমে ক্রেতা বিক্রেতাদের সচেতন করা হচ্ছে। পাশাপাশি সরকারি বেসরকারি সমস্ত অফিস স্কুল কলেজ গুলিতে কর্মী আধিকারিক শিক্ষকদের হাজিরার বায়োমেট্রিক মেশিন ব্যবহারেও নিষেধাজ্ঞা জারি করলো দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসন।

জেলার মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুকুমার দে বলেন, ”অযথা আতঙ্কিত না হয়ে সকলকে শুধুই সাবধানতা অবলম্বনের জন্য নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। সকলকে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে না। যাঁরা সর্দিকাশি বা ফ্লু জাতীয় ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন তাঁরাই মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন। সাবধানতা হিসেবে স্যানিটাইজার বা স্পিরিট জাতিয় লিকুইড দিয়ে ঘন ঘন হাত ধোঁয়া। মুখে হাত কম দেওয়া। ভিড় এড়িয়ে চলতে হবে।”

এদিকে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুত থাকতে, ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত জেলা স্বাস্থ্য দফতরের সমস্ত কর্মী আধিকারিকের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রতিটি হাসপাতালে ফ্লু-কর্নার ও হেল্প লাইন সহ ২৪ ঘন্টার কন্ট্রোল রুমও খোলা হয়েছে। আতঙ্কের সুযোগ নিয়ে করোনা প্রতিরোধক সংশ্লিষ্ট সামগ্রীর কালোবাজারি করতে না পারে। সেই সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে কেউ যাতে আতঙ্ক ছড়াতে না পারে সেদিকেও বিশেষ নজরদারি রেখেছে স্বাস্থ্যদফতর ও পুলিশ। ইতিমধ্যেই নির্ধারিত দরের চাইতে অনেক বেশি টাকায় মাস্ক বিক্রির অভিযোগে, পুলিশ সমীরণ হোড় নামের একজন ওষুধ সামগ্রী ডিস্ট্রিবিউটরকে গ্রেফতার করেছে।

জেলা তথা গোটা দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ এখনও অবধি স্টেজ-টু তে রয়েছে। এই সময়টাতে সাবধানতা অবলম্বনই হল একমাত্র পথ। ইতালি ও চিন যা স্টেজ-টু’তে ব্যবস্থা নিতে উদাসীনতা দেখিয়ে ছিল বলেই সেই দেশগুলিতে এত ভয়ানক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে এমনই অভিমত জানিয়েছেন জেলাশাসক।