ঢাকা: ধর্ম যার যার, উৎসব সবার এই বার্তা সামনে রেখেই দুর্গা বরণে প্রস্তুত বাংলাদেশ৷ সোমবারই দেবী দর্শনে আসছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা৷ প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে প্রস্তুত ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির কর্তৃপক্ষ৷

বাংলাদেশের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ এই দুর্গাপূজার শুভ সূচনা হবে তিথি নির্ঘণ্ট মেনে৷ চলছে সব দিক খতিয়ে দেখার পালা৷ দর্শনার্থীদের সমাগমে আগামী কয়েকদিন উপচে পড়বে ভিড়৷ সেজে উঠেছে মন্দির প্রাঙ্গন৷

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মহম্মদ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। পূজা উদযাপন কমিটির পক্ষে তাপস পাল জানান, ঢাকেশ্বরী মন্দিরে প্রধানমন্ত্রীকে বরণ করতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ ব্যবস্থা। দেশের সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় উৎসব উপলক্ষে মণ্ডপ পরিদর্শন করে হিন্দু সম্প্রদায়ের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা কর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

দেশের সংখ্যালঘু হিন্দি সম্প্রদায়ের সবথেকে বড় উৎসব ঘিরে ইতিমধ্যেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানো হয়েছে৷ ৩০ হাজারের বেশি পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবার৷ এমনই জানিয়েছে, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটি৷ তবে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ দুটির একটি হল ঢাকেশ্বরী মন্দির ও রামকৃষ্ণ মিশন৷ দুটি স্থানেই দেবী দর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী৷

ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার আসাদুজ্জামান জানিয়েছেন, ‘শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে কোনও ধরনের শঙ্কা কিংবা নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। তবে সার্বজনীন নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় এনে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এবার শুক্রবার বিসর্জনের দিন হওয়ায় কিছু ক্ষেত্রে বিধিনিষেধও আরোপ করা হয়েছে। দুর্গা উৎসবকে ঘিরে সমন্বিত ও সুদৃঢ় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।’

ঢাকেশ্বরী মন্দির, রামকৃঞ্চ মিশন, কলাবাগান মন্দির, বনানী পূজা মণ্ডপ, সিদ্ধেশ্বরী কালী মন্দির, রমনা কালী মন্দির, উত্তরা সার্বজনীন পূজা মণ্ডপ, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট সমাজ কল্যাণ সংঘ ও বসুন্ধরা সার্বজনীন পূজা মণ্ডপে থাকছে কড়া নিরাপত্তার বলয়৷

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ