ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: রাত পোহালেই দেশ তথা রাজ্যে পঞ্চম দফা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। উত্তর ২৪ পরগণা জেলায় বারাকপুর ও বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের ভোট রয়েছে পঞ্চম দফায়। ইতিমধ্যেই ভোটের চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে ফেলেছে প্রশাসন। বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে সাতটি বিধানসভা কেন্দ্র রয়েছে। এই বিধানসভা কেন্দ্র গুলি হল আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া এবং বারাকপুর।

বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রে মোট ১৫৬৭ টি বুথ রয়েছে, ভোটারদের সংখ্যা ১৪ লক্ষ ২৮ হাজার ৮৯৭ জন। বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের ভোট গ্রহণের জন্য ইতিমধ্যেই বুথ কেন্দ্রে পৌঁছতে শুরু করেছে ভোটিং মেশিন। ভোট কর্মীরাও পৌঁছে যাচ্ছে বুথে বুথে। নাগরিকদের ভোটাধিকার সুরক্ষিত করতে তৎপর প্রশাসন। ছবি দেওয়া ভোটার স্লিপ নির্বাচন কমিশনের প্রতিনিধিরা ইতিমধ্যেই ভোটারদের বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছেন। প্রতিটি বুথেই জারি থাকছে ১৪৪ ধারা, রাজ্য পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী, সিসিটিভি ক্যামেরায় মুড়ে দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রগুলিকে।

উত্তর ২৪ পরগণার জেলা শাসক অন্তরা আচার্য্য সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, উত্তর ২৪ পরগণার বারাকপুর ও বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রের ভোটের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। আন্তর্জাতিক সীমানা সুরক্ষিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট ছবি সহ পরিচয় পত্র নিয়ে সাংবাদিকরা বুথে ঢুকে কভারেজ করতে পারবে, ছবি তুলতে পারবে, তবে বুথের ভিতরে কোন ব্যাক্তির ইন্টারভিউ করতে পারবে না এবং কোন জিনিসে হাত দেওয়া যাবে না। নাগরিকদের ভোটাধিকার ক্ষুন্ন হয়, এমন কোন কাজ করা যাবে না। সুষ্ঠ ও অবাধ নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী উত্তর ২৪ পরগণার জেলা শাসক অন্তরা আচার্য্য।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।