টোকিও: এই মুহুর্তে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফিট অ্যাথলিট হিসেবে গণ্য করা হয় তাঁকে। আর টোকিওতে অনুষ্ঠিত জাপান ওপেন টেনিসের মাঝেই দোহিয়োতে হাজির হয়ে নিজের ফিটনেস ঝালিয়ে নিলেন বিশ্বের পয়লা নম্বর টেনিস তারকা নোভাক জকোভিচ।

সোমবার সকালে প্রস্তুতির মাঝেই টোকিওতে সুমো রেসলারদের রিংয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন জোকার। তবে দোহিয়োতে পৌঁছে নিজেকে আর সামলে রাখতে পারেননি সার্বিয়ান তারকা। দুই পেশাদার সুমো রেসলারদের সঙ্গে রিংয়ে নেমে পড়েন তিনি। তবে রিংয়ে নেমে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রেসলারকে এক বিন্দুও টলাতে পারেননি টেনিস তারকা। আর সুমো রিংয়ে প্রথমবার কুস্তি লড়ার অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করে জোকোভিচ জানান, আমি এই লড়াইয়ের জন্য একেবারেই শেপে নেই।

এটিপি এক ওয়েবসাইটে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ১৬টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক জানান, ‘আমার মনে হল আমি পর্যাপ্ত শেপে নেই। সম্ভবত আরও তিনগুণ ওজন বাড়াতে পারলে আমি সুমোর রিংয়ে লড়াইয়ের উপযুক্ত হব।’ পাশাপাশি এমন হেভিওয়েট একটি স্পোর্টসে শরীরের লাগামছাড়া ওজনের পরও সুমো কুস্তিগিরিদের শারীরীক ফ্লেক্সিবিলিটির প্রশংসা করেন জোকার।

একইসঙ্গে পয়লা নম্বর টেনিস তারকার সংযোজন, ‘এটা দুর্দান্ত এক অভিজ্ঞতা। এই অভিজ্ঞতা আমার প্রথমবার। আমরা সবাই জানি সুমো রেসলিং জাপানের অন্যতম জনপ্রিয় একটি স্পোর্টস। গতকালই বাবাকে জানিয়েছিলাম সুমো কুস্তিগিরদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার একটা সুযোগ হয়েছে।’ উল্লেখ্য, জাপান ওপেন টেনিসের প্রথম রাউন্ডের ম্যাচে মঙ্গলবার অ্যালেক্সেই পপিরিনের মুখোমুখি হবেন জকোভিচ। তাঁর আগে সুমো রিং থেকে বেরিয়ে ১৯৯৩ আমেরিকান বংশোদ্ভূত জাপানি সুমো রেসলার জোকোজুনা আকেবোনোর প্রথম গ্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হওয়ার স্মৃতিচারণ করেন জোকার।

জকোভিচ বলেন, ছোটবেলায় বাবার সঙ্গে তিনি সুমো রেসলিং নিয়মিত দেখতেন। আকেবোনো চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আগে তাঁর জন্য গলাও ফাটিয়েছিলেন বলে জানান সার্বিয়ান তারকা। যদিও দোহিয়ো থেকে বেরিয়ে জাপান ওপেনের ডাবলসে জকোভিচের অভিজ্ঞতা সুখের হল না। স্বদেশী ফিলিপ ক্রেইজিনোভিচের সঙ্গে ডাবলসের লড়াইয়ে হেরে যান তিনি।