মেলবোর্ন: রজার ফেডেরারের ঝুলিতে রয়েছে রেকর্ড ২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেতাব। রাফায়েল নাদাল জিতেছেন ১৯টি মেজর ট্রফি। তুলনায় কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন নোভাক জকোভিচ। এবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জয়ের সুবাদে জোকারের গ্র্যান্ড স্ন্যাম ট্রফির সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭। ফেডেরার এবং নাদালের থেকে অনেক পরে শুরু করেছেন গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের অধ্যায়। তা সত্ত্বেও রজার ও রাফা যেটা করে দেখাতে পারেননি, ঠিক সেই কাজটিই করলেন জোকার। ইতিহাসের প্রথম টেনিস তারকা হিসেবে ৩টি আলাদা দশকে গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের কৃতিত্ব অর্জন করলেন তিনি।

ফেডেরার ও নাদালের সামনে সুযোগ রয়েছে এই রেকর্ড ছোঁয়ার। তবে এমন বিরল নজির গড়া প্রথম টেনিস তারকা হিসেবে ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন জকোভিচ।

সার্বিয়ান তারকা কেরিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ন্যাম যেতেন ১২ বছর আগে। ২০০৮ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনেই তিনি কেরিয়ারের প্রথম মেজর ট্রফি জেতেন। তাঁর দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্ন্যাম ট্রফিটিও আসে মেলবোর্ন পার্ক থেকে। ২০১১ সালে তিনি চ্যাম্পিয়ন হন অজি ওপেনে। গত দশকে আরও ৫টি অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের ট্রফি তিনি ঘরে তুলেছেন। এবার জিতলেন ৮ নম্বর অজি ওপেনের খেতাব। অর্থাৎ তিনটি দশক জুড়ে তিনি আটবার অস্ট্রেলিয়ান ওপেন জিতেছেন। কোনও একটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম টুর্নামেন্ট তো বটেই, সার্বিকভাবে তিন দশকে মেজর জয়ের রেকর্ড আর কারও দখলে নেই। গত দশকে নোভাক ১ বার ফরাসি ওপেন, ৫ বার উইম্বলডন ও ৩ বার যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন।

ফেডেরার কেরিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ন্যাম জিতেছেন ২০০৩ সালে উইম্বলডনে। চলতি শতকের প্রথম দশকে রজার মোট ১৫টি মেজর জেতেন। দ্বিতীয় দশকে জেতেন ৫টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম। নতুন দশক শুরু হয়েছে সবেমাত্র। চলতি দশকে এখনও পর্যন্ত গ্র্যান্ড স্ল্যামের খাতা খোলা সম্ভব হয়নি রজারের। খেলা চালিয়ে যেতে পারলে সুইস কিংবদন্তির সামনে মেজর জেতার সুযোগ রয়েছে বিস্তর।

রাফায়েল নাদাল কেরিয়ারের প্রথম গ্র্যান্ড স্ন্যাম জেতেন ২০০৫ সালে ফরাসি ওপেনে। সেই দশকে রাফা ৬টি গ্র্যান্ড স্ন্যাম জেতেন। দ্বিতীয় দশকে জিতেছেন ১৩টি মেজর খেতাব। নতুন দশকে ফরাসি ওপেনে গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের সুবর্ণ সুযোগ রয়েছে স্প্যানিশ তারকার সামনে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।