বেলগ্রেড: একেতেই করোনা কাঁটায় একগুচ্ছে গাইডলাইন মেনে দর্শকহীন গ্যালারিতে খেলা। তার উপর ভাইরাস আতঙ্কে রাফায়েল নাদাল, স্ট্যান ওয়ারিঙ্কা, অ্যাশলে বার্টির মতো প্রথম সারির তারকারা নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছেন একে একে। ক্রমেই জৌলুষহীন হয়ে পড়ছিল ২০২০ ইউএস ওপেন। এরইমধ্যে টেনিসপ্রেমীদের কিছুটা স্বস্তি দিল পুরুষদের পয়লা নম্বর নোভাক জকোভিচের ঘোষণা। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীরা অংশ না নিলেও ৩১ অগস্ট থেকে শুরু হতে চলা যুক্তরাষ্ট্র ওপেনে অংশ নিচ্ছেন ‘জোকার’। বৃহস্পতিবার সার্বিয়ান তারকা নিজেই জানালেন সে কথা।

শুধু ইউএস ওপেনই নয়, জকোভিচ অংশ নিচ্ছেন ২২-২৮ অগস্ট ওয়েস্টার্ন অ্যান্ড সাউদার্ন ওপেনেও। ফেডেরার, নাদাল, ওয়ারিঙ্কার মতো তারকা না থাকায় ফ্লাশিং মেডো জিততে খুব একটা বেগ পাওয়ার কথা নয় বিশ্বের পয়লা নম্বরের। তাই ট্রফি ক্যাবিনেটে আরও একটি গ্র্যান্ড স্ল্যাম যোগ করার পাশাপাশি আদ্রিয়া ট্যুর ঘিরে তাঁকে নিয়ে সমালোচনার সব জবাব দিতে ফ্লাশিং মেডোয় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন সার্বিয়ান তারকা। ‘জোকার’ জানিয়েছেন, ‘আমি ওয়েস্টার্ন অ্যান্ড সাউদার্ন ওপেন এবং ইউএস ওপেনে অংশগ্রহণ করছি এবং এমন একটি সিদ্ধান্ত নিয়ে আমি খুশি।’

জকোভিচ আরও বলেন, ‘বিভিন্ন বাধা-বিঘ্ন, চ্যালেঞ্জ পেরিয়ে এমন একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর বিষয়টি খুব একটা সহজ ছিল না। কিন্তু পুনরায় প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণের বিষয়টি আমায় উৎসাহী করে তুলেছিল।’ এর আগে বিলি জিন কিং ন্যাশনাল টেনিস সেন্টারে অনেক স্মরণীয় ম্যাচ উপহার দিয়েছেন জকোভিচ। কিন্তু এবারে পরিস্থিতি একেবারে ভিন্ন। তবে তিনি সমস্ত নিরাপত্তা প্রোটোকল সম্পর্কে ভীষণ সজাগ এবং সচেতন বলেই জানিয়েছেন সার্বিয়ান টেনিস তারকা। জোকোভিচ বলেছেন, ‘আমি কঠোর পরিশ্রম করেছি আমার শরীরকে যথাযথ শেপে রাখতে। তাই আমার মনে হয় নতুন পরিবেশে সহজেই মানিয়ে নিতে পারব।’

উল্লেখ্য, করোনা আবহেই দেশের রাজধানী শহর বেলগ্রেডে চ্যারিটি টুর্নামেন্ট অংশগ্রহণ করে মাসদু’য়েক আগে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন জকোভিচ। তাঁর উদ্যোগে আয়োজিত এই টেনিস টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েই করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন একাধিক টেনিস তারকা। আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি নিজেও। তবে বর্তমানে জকোভিচ সম্পূর্ণ সুস্থ। প্রয়োজনীয় সমস্ত চেক-আপ করিয়ে নিয়ে সম্পূর্ণ ফিট হয়েই কোর্টে ফিরতে মরিয়া তিনি। জানিয়েছেন জকোভিচ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।