লন্ডন: দু’ বছর পর ফের তাঁর ঝুলিতে এল গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেতাব৷ রবিবার অল ইংল্যান্ড ক্লাবের সেন্টার কোর্টে দক্ষিণ আফ্রিকার কেভিন অ্যান্ডারসনকে স্ট্রেট সেটে (৬-২, ৬-২, ৭-৬) হারিয়ে পুরুষ সিঙ্গলসে উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হলেন নোভাক জকোভিচ৷

জোকারের এটি চতুর্থ উইম্বলডন খেতাব৷ কেরিয়ারে ১৩টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালিক হলেন সার্বিয়ান টেনিস তারকা৷ জকোভিচ ও অ্যান্ডারসন দু’জনে এপিক সেমিফাইনাল জিতে উইম্বলডন ফাইনালে উঠেছিলেন৷ কিন্তু রবিবার অ্যান্ডারসনের বিরুদ্ধে জয় পেতে অবশ্য বেগ পেতে হয়নি জোকারকে৷ মাত্র ২ ঘণ্টা ১৫ মিনিটেই লড়াই থেমে যায় অ্যান্ডারসনের৷ প্রথম দু’টি সেট সহজেই জিতে নেন জোকার৷ তৃতীয় সেটে প্রোটিয়া খেলোয়াড় লড়াই করলেও শেষরক্ষা হয়নি৷ টাইব্রেকারে তৃতীয় সেট এবং সেই সঙ্গে ম্যাচ জিতে নেন জকোভিচ৷

উইম্বলডন চ্যাম্পিয়ন হয়ে জোকার বলেন, ‘প্রত্যাবর্তনের জন্য এর থেকে ভালো জায়গা আর কিছু হতে পারে না৷ এটাই টেনিসের স্বর্গ৷’ বিশ্বের আট নম্বর দক্ষিণ আফ্রিকান খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে মাত্র ২৯ মিনিটে প্রথম সেট পকেটে পুরে নেন অভিজ্ঞ জকোভিচ৷ দ্বিতীয় সেটেও প্রতিদ্বন্দ্বীকে দাঁড়াতে দেননি জোকার৷

উইম্বলডনে ২০১৮-র রাজা ও রানি৷ ছবি টুইটার৷

২০১৬ সালের ফরাসি ওপেনের পর প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যাম শিরোপা জিতলেন জকোভিচ। পুরুষ সিঙ্গলসে গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের তালিকায় এতদিন অস্ট্রেলিয়ার খেলোয়াড় রয় এমারসনের সঙ্গে যৌথভাবে চতুর্থ স্থানে ছিলেন জোকার। কিন্তু রবিবার উইম্বলডন খেতাব জিতে চতুর্থ স্থানটাকে নিজের করে নিলেন ৩১ বছর বয়সি সার্বিয়ান তারকা।

২০টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন সুইজারল্যান্ডের রজার ফেডেরার। ১৭টি জিতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন স্পেনের রাফায়েল নাদাল। তৃতীয় স্থানে থাকা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পিট সাম্প্রাস জিতেছেন ১৪টি গ্র্যান্ড স্ল্যাম৷ শনিবার মহিলা সিঙ্গলসে ২৩টি গ্র্যান্ড স্ল্যামের মালকিন সেরেনা উইলিয়ামসকে হারিয়ে প্রথমবার উইম্বলডন জেতেন জার্মানির আঞ্জেলিক কারবার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।