লন্ডন: গ্র্যান্ড স্ল্যাম জয়ের নিরিখে এখনও পিছিয়ে দু’ধাপ কিন্তু একটি ক্ষেত্রে কিংবদন্তি রজার ফেডেরারকে টপকে ইতিহাস গড়লেন সার্বিয়ার টেনিস তারকা নোভাক জকোভিচ। সুইস টেনিস মায়েস্ত্রোকে টপকে এটিপি র‍্যাংকিং’য়ে সবচেয়ে বেশি সময় শীর্ষে থাকার নজির গড়লেন ‘জোকার’। এটিপি র‍্যাংকিং’য়ে শীর্ষে থাকার নিরিখে ৩১১ সপ্তাহে পা দিলেন নোভাক।

এর আগে কেরিয়ারে এটিপি র‍্যাংকিং’য়ে সর্বাধিক সময়ের (৩১০ সপ্তাহ) জন্য শীর্ষে থাকার নজির ছিল ২০টি মেজর জয়ী ফেডেরারের। নোভাক জকোভিচ ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে এদিন সার্বিয়ান তারকাকে সম্মান জানিয়ে তাঁর বিভিন্ন অ্যাকশন মুহূর্তের কোলাজ পোস্ট করা হয়। একইসঙ্গে ঘটনায় অভিনন্দন জানানো হয় জকোভিচকে। জকোভিচ নিজে তাঁর টুইটার হ্যান্ডেলে সেই ভিডিওর পরিপ্রেক্ষিতে লেখেন, ‘স্বপ্নকে তাড়া কর। ধন্যবাদ সকলকে।’ জোকোভিচ ফাউন্ডেশনের তরফ থেকে ভিডিওর ক্যাপশন হিসেবে লেখা হয়, ‘তারা সমৃদ্ধ এই যাত্রাপথের শরিক হতে পারে।’

উল্লেখ্য, গত মাসেই রড লেভার এরিনায় কেরিয়ারের নবম খেতাব জিতে কেরিয়ারের গ্র্যান্ড স্ল্যাম ট্যালি ১৮-তে নিয়ে গিয়েছেন সার্বিয়ান তারকা। এরপর এই নজির আসন্ন টুর্নামেন্ট এবং বছরের পরবর্তী গ্র্যান্ড স্ল্যামগুলোর আগে আরও উদ্বুদ্ধ করবে জকোভিচকে। ইতিহাস গড়ে আলজাজিরা টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জোকোভিচ জানিয়েছেন, ‘এটা কেবল আমার জন্য নয়, আমার পরিবার-প্রিয়জনদের কাছেও বিশাল একটা অ্যাচিভমেন্ট। কারণ আমার পেশাদার কেরিয়ারের শুরু থেকে তারা প্রত্যেকে আমায় সমর্থন জুগিয়ে এসেছেন। তবে আমি এই মাইলস্টোনটা সম্পর্কে খুব একটা সচেতন ছিলাম না।’

উল্লেখ্য, গতবছর অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে খেতাব জয়ের পর ফেব্রুয়ারিতে নাদালের থেকে র‍্যাংকিং’য়ে সিংহাসনটা ছিনিয়ে নিয়েছিলেন সার্বিয়ান তারকা। সেই থেকে শীর্ষেই তিনি। কেরিয়ারে সবমিলিয়ে ৩১১ সপ্তাহ। ২০০৫ জুলাইতে কেরিয়ারে প্রথমবার র‍্যাংকিং’য়ে প্রথম একশোয় প্রবেশ করেছিলেন ন’টি অস্ট্রেলিয়ান ওপেনের মালিক।

ঠিক পরের বছরে অর্থাৎ ২০০৬ জুনে প্রথম পঞ্চাশে প্রবেশ জকোভিচের। ওই বছরেই অক্টোবরে প্রথম কুড়িতে চলে আসেন সার্বিয়ান তারকা। আর ২০০৭ মার্চ মাসে প্রথমবার র‍্যাংকিং’য়ে প্রথম দশে পা রাখেন ‘জোকার। ২৪ বছর বয়সে ৪ জুলাই, ২০১১ প্রথমবার র‍্যাংকিং’য়ের মগডালে স্থান করে নিয়েছিলেন জকোভিচ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।