নয়াদিল্লি: বুধবার রামলীলা ময়দান থেকে মোদীর প্রশ্ন ছিল, নৌবাহিনীর রণতরীতে বিদেশি লোকেদের উপস্থিতি জাতীয় নিরাপত্তাবিধি ভঙ্গের সামিল নয় কি? ইতালি থেকে ছুটি কাটিয়ে আইএনএস বিরাটে চেপে রাজীব গান্ধী যখন দেশে ফেরেন তখন সেই রণতরীতে তাঁর শ্বশুড়বাড়ির লোকেরাও ছিল৷ তিন দশক পুরোনো একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে মোদী বোঝাতে চান কংগ্রেস সেনাবাহিনীকে তাদের সম্পত্তির মতো ব্যবহার করত৷

২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ঘটনা৷ আইএনএস সুমিত্রা রণতরীতে মোদীর সঙ্গে মঞ্চ ভাগ করে নিতে দেখা যায় অক্ষয় কুমারকে৷ তিন বছর আগের একটি ঘটনা ফের চলে এল প্রচারের আলোয়৷ সৌজন্যে কংগ্রেস নেত্রী দিব্যা স্পন্দনা৷

নৌবাহিনীর রণতরী আইএনএস বিরাটকে পারিবারিক ছুটি কাটানোর কাজে ব্যবহার করেছিলেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী৷ দিল্লির রামলীলা ময়দান থেকে এমনই অভিযোগ করে আরও বিতর্ক বাড়ান মোদী৷ নমোকে জবাব দিতে এবার আসরে নামেন কংগ্রেস নেত্রী দিব্যা স্পন্দন৷ তিন বছর পুরোনো একটি ঘটনার ছবি সামনে আনেন তিনি৷ যেখানে আইএনএস সুমিত্রা রণতরীতে বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমারকে দেখা যায়৷

লোকসভা ভোট চলাকালীন অক্ষয় কুমারের কানাডার নাগরিকত্ব নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেন৷ দিব্যা তাঁর ট্যুইটে অক্ষয়কে খোঁচা মেরে লেখেন, ২০১৬ সালে নৌবাহিনীর একটি অনুষ্ঠানে আইএনএস সুমিত্রা রণতরীতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর সঙ্গে কানাডার এক নাগরিককে দেখতে পাওয়া যায়৷ এখনও অনেকে সেই বিতর্কের কথা ভোলেননি৷

আসলে রামলীলা ময়দান থেকে মোদী সেদিন যে নিরাপত্তাবিধি ভঙ্গের কথা বলেছিলেন তার জবাব মোদীকে দিলেন দিব্যা৷ মত রাজনৈতিক মহলের৷ বোঝাতে চাইলেন, যদি রাজীবের শ্বশুড়বাড়ির লোকেরা নৌবাহিনীর রণতরীতে উঠলে জাতীয় নিরাপত্তাবিধি ভঙ্গ হয় তাহলে এক কানাডার নাগরিকের ক্ষেত্রেও সেই অভিযোগ লাগু হয়৷ মজার বিষয় হল ২০১২ সালেই কানাডা সরকার অক্ষয়কে সেদেশের নাগরিকত্ব দেয়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I