কলকাতা: একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের জট কাটল হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে। যা ভোটের আগে সাময়িক স্বস্তি দিল রাজ্য সরকারকে। সিঙ্গেল বেঞ্চের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ ডিভিশন বেঞ্চের। সিঙ্গল বেঞ্চে মামলা ফিরিয়ে দিয়েছেন বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য্য। তাই এখনো সম্পূর্ণ স্বস্তি মিলছে না রাজ্য সরকার এবং মামলাকারীদের।

১৬ হাজার ৫০০টি শূন্য পদে প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগের উপর গত ২২ ফেব্রুয়ারি স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জে করে ডিভিশন বেঞ্চে আপিল মামলা দায়ের করল প্রাইমারি শিক্ষা পর্ষদ। বিচারপতি সৌমেন সেন ও বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর ডিভিশন বেঞ্চে দায়ের হয়েছে আপিল মামালাটি। পাশাপাশি যে সমস্ত প্রার্থীরা ইতিমধ্যেই চাকরি পেয়ে গিয়েছিলেন তারাও আজ ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন সিঙ্গল বেঞ্চের এই নির্দেশের বিরুদ্ধে। হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছিল রাজ্য সরকার।

সাময়িক স্বস্তি রাজ্য সরকার পেলেও মামলাকারীদের জন্য ৮৩০টি পদ শূন্য রাখতে হবে ১৬, ৫০০ আসনের মধ্যে। সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে একদিকে প্রাথমিক শিক্ষা সংসদ এবং চাকরি প্রার্থীরা উভয়েই মামলা দায়ের করেছিলেন ডিভিশন বেঞ্চে। কারণেই ১৬,৫০০ চাকুরী প্রার্থীদের মধ্যে অনেকেই বর্তমানে চাকরি করছেন স্বাভাবিকভাবেই অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলেন বেশ কিছু চাকরিজীবী আগামী দিনে তাদের ভবিষ্যৎ কি হবে তা নিয়েও তারা ছিলেন দোলাচলে।

বুধবার হাই কোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। আগামী সপ্তাহে শুনানির সম্ভাবনা থাকলেও, পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে বৃহস্পতিবারই শুনানি হয়। তাতেই সিঙ্গল বেঞ্চের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। তবে ১৬,৫০০ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে কয়েকটি শর্তের কথাও জানিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। বলা হয়েছে, মেধা তালিকা শুধু ওয়েবসাইটে নয়, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ এবং ডিআই (DI) অফিসে টাঙাতে হবে। এছাড়া প্রাইমারি টেট সংক্রান্ত অন্যান্য মামলা ফের সিঙ্গল বেঞ্চে ফেরত পাঠিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।

তবে ডিভিশন বেঞ্চের এই রায় আগামী দিনে কতটা স্বস্তি দিতে পারবে চাকুরীজীবী এবং রাজ্য সরকারকে তা হয়তো সময়ই বলবে। তবে হাইকোর্টের আইনজীবি মহলেরএকাংশমনেকরেছেন সিঙ্গেল বেঞ্চের বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের নির্দেশের উপরেই ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে এই মামলার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।