কলকাতা: লক ডাউন পরবর্তী সময়ে এসে আমরা সবাই বুঝে গেছি যে নিজেকে মানসিক ও শারীরিকভাবে ফিট রাখা কতটা দরকার। তার সঙ্গে ওয়ার্ক ফ্রম হোম কালচারে পড়ে এটাও বুঝেছি যে বাড়ি ও অফিস একসঙ্গে সামলানো চাট্টিখানি কথা একেবারেই নয়।

সারাদিন চেয়ারে বসে একটানা কাজ করলে ওজন বাড়া তো সাধারণ ঘটনা। এছাড়াও ফলস্বরূপ শরীরে বাসা বাঁধতে পারে নানা রোগ। তার চেয়েও বড়ো একটি তথ্য সামনে এসেছে। সেই কথা হচ্ছে যে সাম্প্রতিক কিছু সমীক্ষা থেকে যে ফল পাওয়া গিয়েছে তাতে জানা গিয়েছে যে দিনে একবার মাত্র ব্যায়াম করা এবং সারাদিন চেয়ারে কাজ করে বসে কাটালে তেমন কোনো শারীরিক বা মানসিক লাভ হয় না।

শরীরকে সারাদিন ধরে সুস্থ রাখতে আমরা যেমন সারাদিন ধরে খাদ্য গ্রহণ করি তেমন সারাদিন বসে বসে থেকে শুধু একটা সময়ে ব্যায়াম করলে কোনো লাভ হবে না। তাই নতুন গবেষণা বলছে যে কাজের সময় ভাগ করার মতোই আপনাকে নিজের ওয়ার্কআউটের সময়ও ভাগ করে নিতে হবে।

আরো পোস্ট-চাকরি থাকবে কিনা বুঝতে পারছেন না…কী করবেন

অনেক মহিলা বা পুরুষ যাদেরকে সংসারটাও সামলাতে হচ্ছে তারা কাজের ফাঁকে ফাঁকে গিয়ে ঘর পরিষ্কার, কাপড় কাঁচা, রান্না করা এমন কাজও করছেন। এতেও শরীরের ব্যায়াম হচ্ছে। এর পরে যদি কাজ থেকে ৪৫ মিনিটের একটা ব্রেক নিয়ে ভালোমতো পুরোপুরি ঘাম ঝরানোর শরীরচর্চা করা যায় তাহলে তো কথাই নেই। কিন্তু এটা আপনি তখন করতে পারবেন যখন আপনি কাজ থেকে ব্রেক বা অবসর নিতে পারবেন। সবক্ষেত্রে সেটা সবসময় করা যায় না। সেক্ষেত্রে কী করবেন?

চেষ্টা করুন প্রতি এক ঘণ্টা কাজ করার পর তিন মিনিটের ব্রেক নিতে। এই তিন মিনিটের মধ্যে এক মিনিট আপনি কোনও ইনটেন্স ব্যায়াম করে নিন। যেমন একবারও না থেমে পাঁচটি বারপিস, তার পরে আবার দশটি জাম্পিং জ্যাক, সেই সঙ্গে দশটি স্কোয়াট, আবার কখনও সিঁড়িতে উপর-নিচ করে এলেন ১০ বার। এভাবে নিজে সাজিয়ে নিন যে আপনি কতক্ষণ ব্রেক নিতে পারবেন। সারাদিনে যেন অন্তত 30 মিনিট ব্যায়াম করতে পারেন সেই রুটিন আপনাকে বানাতে হবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.