কলকাতা: মাটির প্রতিমায় প্রাণ প্রতিষ্ঠা করা হয়। কিন্তু রক্ত-মাংসের শরীরে রাণীকে প্রতিষ্ঠান করেছে এশহরবাসী। তাই রাণী মন্দির দর্শনে আসছেন, এখবর মিলতেই লোকে লোকারন্য দক্ষিণেশ্বর চত্ত্বর। এক ঝলক রাণী মাকে দেখতে উৎসুক হাজারও চোখ।

দেখতে দেখতে এক বছর পাড় করে ফেলল ‘করুণাময়ী রাণী রাসমণী’। ছোট্ট দিতিপ্রিয়া আজ সকলের কাছে রাণী রাসমণি। মানুষ যে তাঁকে কতোটা আপন করে নিয়েছে তা এবার কালি পুজোতে গিয়ে টের পেয়েছিলেন অভিনেত্রী। দিতিপ্রিয়ার কথায়, ” সেবার অনেকে আমার পা পর্যন্ত ছুঁতে গিয়েছিল। এতভাল বাসা পেয়ে আমি সত্যি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। হঠাৎ করে নিজেকে কেমন স্পেশ্যাল মনে হতে শুরু করেছিল।”

তবে এবারও অ্যাপায়ণের খামতি ছিল না। লাল পাড় সাদা শাড়ি, পায়ে আলতা, এক গা সোনার গয়না পরে, রাণী দিতীপ্রিয়া যখন মা ভবতারিণী দর্শনের জন্য মন্দিরের সিঁড়ি বেয়ে উঠছিলেন, তখন অন্য দর্শনার্থীরা সরে গিয়ে জায়গা করে দিলেন তাঁকে। অভিনেত্রী জানালেন, ” আমি যখন রাণীর সাজে এমন্দিরে আসি তখন আমাকে সবাই বলে এমন্দির তোমাকে কী দেখাব! সবই তো তোমাদের!”

ছবি: ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে

আরও পড়ুন:  সিনেমার জন্য তৈরি হয়েছে আস্ত দু’টি জাহাজ!

রাসমণী রূপে মাত্র পনেরো বছর বয়সে সিরিয়াল প্রিয় দর্শকদের মন জয় করে নিয়েছেন দ্বিতীপ্রিয়া। ‘বাঙালি ঘরের অন্দরমহলেই তিনি ‘রানী মা’ বলেই পরিচিত! সেই ‘করুণাময়ী রাণী রাসমণী’ ধারাবাহিকের একবছর উপলক্ষ্যে ‘রানী রাসমনী’ দিতিপ্রিয়াই সম্প্রতি হাজির হয়েছিলেন দক্ষিণেশ্বরের মা ভবতারিণী মন্দিরে। সঙ্গে রাজচন্দ্রের বেশে তাঁর সঙ্গে গিয়েছিলেন গাজি আব্দুন নূরও। মেন ফটকের সামনে থেকে ঘোড়ার গাড়ি চড়ে মন্দিরের সামনে আসেন তাঁরা। সেখান থেকে পূজ সেরে আবার ফিরে যান।

ছবি: ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে

আরও পড়ুন:  সুজিকে নিজের সঙ্গে রিলেট করতে পারি: প্রিয়াঙ্কা

ছবি: ইনস্টাগ্রামের সৌজন্যে

সিরিয়ালে এখন রাণীর মেয়ে বিয়ের পালা চলছে। আর মাস কয়েক পরেই আসবে দক্ষিণেশ্বর মন্দির তৈরির পর্ব। কিন্তু তার আগে আসতে চলেছে রাণীর জীবনের সবথেকে বড় ধাক্কা রাজচন্দ্রের মৃত্যু। তার আগেই মন্দিরে ঘুরে গেলেন রাণী।