তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়া: ভোট পূর্ববর্তী যেকোনো ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে জেলা জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করল বাঁকুড়া জেলা পুলিশ। কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের তরফে লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই জেলার জঙ্গল মহল সহ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ও জেলা সীমান্ত গুলিতে ক্লোজড সার্কিট টিভি বসানোর পাশাপাশি চলছে নাকা চেকিং।

জেলা পুলিশ সূত্রে পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, জঙ্গলমহলের সাতখুলিয়া সহ সিমলাপাল, সারেঙ্গা, মেজিয়া, শালতোড়া, ছাতনা, বিষ্ণুপুর, কোতুলপুর, ইন্দাস সহ জেলার দশটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় সিসিটিভি বসিয়ে নাকা চেকিং-এর কাজ শুরু হয়েছে। জঙ্গলমহলের সাতখুলিয়া মূল রাস্তায় দেখা গেল, সিআরপিএফ কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে জেলা পুলিশ প্রতিটি গাড়ি, মোটরবাইককে দাঁড় করিয়ে তল্লাশির কাজ করছেন।

২০১১ পূর্ববর্তী সময়ে জঙ্গলমহল অশান্ত হয়ে উঠেছিল। মাওবাদী-যৌথবাহিনী গুলির লড়াইয়ে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল এই এলাকা। বর্তমানে সেই ভয়ের পরিবেশ নেই জঙ্গলমহলে। কিন্তু ভোটের আগে যাতে কোনভাবেই জঙ্গলমহলে অশান্তি ছড়াতে না পারে তা নিশ্চিত করতে চাইছে বাঁকুড়া জেলা পুলিশ। সিসিটিভি সহ এই নাকা চ্যাকিং-এর কাজ ধারাবাহিকভাবে চলবে বলেই জেলা পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার কোটেশ্বর রাও বলেন, জেলার ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃজেলা সীমান্তের রাস্তায় নাকা চেকিং শুরু হয়েছে। এর মধ্যে চার জায়গায় এই মুহূর্তে সিসিটিভি বসানো হয়েছে। বাকি ছয়টি জায়গাতেও এই ব্যবস্থা শুরু হবে। পুলিশের কন্ট্রোলরুম ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকছে। এই মুহূর্তে জঙ্গলমহলে দু’কোম্পানি সেনা রয়েছে। তাদের এই কাজে লাগানো হচ্ছে বলে তিনি জানান।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।