নয়াদিল্লি: এনআরএসে আক্রান্ত চিকিৎসক৷ প্রতিবাদে কর্মবিরতি চলছে পশ্চিমবঙ্গের সব সরাকরি হাসপাতালে৷ বাংলায় আন্দোলকারীদের পাশে গোটা দেশের চিকিৎসকরা৷ আন্দোলনে সামিল চিকিৎসকদের সব চেয়ে সংগঠন আইএমএ৷ সংগঠনের তরফে কর্মবিরতির ডাক দেওয়া হয়েছে৷ ফলে আজ দেশজুড়ে ব্যাহত হচ্ছে চিকিৎসা পরিষেবা৷

দেশের অন্যতম সেরা সরকারি হাসপাতাল এইমসেও চলছে চিকিৎসকদের কর্মবিরতি৷ দুপুর ১২টা থেকে আগামীকাল সকাল ৬টা পর্যন্ত চলবে এই কর্মবিরতি৷ যদিও জরুরি পরিষেবা, আইসিইউ চালু রয়েছে৷

পাশাপাশি দশের বিভিন্ন কেন্দ্রীও ও রাজ্য সরাকরি হাসপাতালগুলিতেও কর্মবিরতি চলছে বিভিন্ন চিকিৎসক সংগঠনের তরফে৷ আইএমএ-এর সেক্রেটারি জেনারেল আর ভি অশোকন বলেন, ‘‘হাসপাতাল চত্বরে এই ধরণের হামলা চিকিৎসদের মনোবল নষ্ট করে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। এতে আখেরে ক্ষতি হয় রুগিদেরই। কারণ মুমূর্ষু রুগির চিকিৎসার ক্ষেত্রে ঝুঁকি নেওয়ার আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেন ডাক্তাররা। তাই কর্মস্থলে ডাক্তারদের নিরাপত্তায় কড়া আইন প্রয়োজন।’’

ইতিমধ্যেই এনআরএসের ঘটনাকে উদাহরণ হিসাবে তুলে ধরে চিকিৎসকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের কাছেও আর্জি জানিয়েছে আইএমএ। কড়া আইনী পথ খুঁজে বার করার আবেদন করা হয়েছে৷ হাসপাতাল চত্বরকে ‘সেফ জোন’ হিসাবে চিহ্নিত করারও দাবি উঠেছে চিকিৎসকদের সংগঠনের তরফে৷

আরও পড়ুন: নবান্নে বৈঠক ঘিরে জটিলতা, ডাক পাননি বলে দাবি জুনিয়র ডাক্তারদের

সাস্থ্য জটিলতা কাটাতে আজ বিকেল তিনটে রাজ্য সচিবালয় নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের কথা রয়েছে৷ তবে তাদের ডাকা হয়নি বলে দাবি জুনিয়র ডাক্তারদের৷ ফলে বৈঠক ঘিরেও জটিলতা তৈরি হয়েছে৷ আন্দোলনকারীদের দাবি, বৈঠকের নামে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে৷ ফলে কবে স্বাভাবিক হবে চিকিৎসা পরিষেবা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে৷

এনআরএসের মধ্যেই অবস্থানে বসে রয়েছেন জুনিয়র ডাক্তাররা৷ ব্যাহত আউটডোর পরিষেবা৷ দুর্ভোগে সাধারণ মানুষ৷