স্টাফ রিপোর্টার, বর্ধমান: বাম ছেড়ে রামের উপাসক হয়েছেন আইনুল হক৷ আর তাতেই আপত্তি বর্ধমানের বিজেপি কর্মীদের একাংশের৷ পোস্টার দিয়ে একদা সিপিএমের দোর্দদণ্ডপ্রতাপ এই নেতার দলে আগমণের বিরোধীতা করা হয়েছে৷

এসবের পিছনে অবশ্য চক্রান্তের গন্ধ পাচ্ছে গেরুয়া শিবির৷ তারা মনে করছে আইনুল হকের দল বদলে ভয় পেয়েছে তৃণমূল৷ তাই কুৎসা রটাতেই তারাই এই পোস্টার সাঁটিয়েছে৷ কিন্তি খোদ আইনুল আবার এর জন্য দায়ী করেছেন পুরনো দল সিপিএমকেই৷

শনিবারই কলকাতার জাতীয় গ্রন্থাগারে বিজেপির সভা ছিল৷ রাজ্য নেতাদের সঙ্গে ছিলেন দলের কেন্দ্রীয় নতৃত্বও৷ োই সভাতেই বিজেপিতে যোগ দেন সিপিএমের বর্ধমান জেলার দাপুটে সংখ্যালঘু নেতা ও বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান আইনুল হক৷ ওই দিন রাতেই তিনি জেলায় ফিরে যান৷

দলবদলের ২৪ ঘন্টাও কাটেনি৷ দল বদলী আইনুলকে ঘিরে বর্ধমান শহরের কার্জন গেট এলাকায় পোস্টার পড়তে শুরু করেছে৷ একাধিক পোস্টার কোনটিকে লেখা, গণহত্যাকারী আরএসএস হত্যাকারী আইনুল হকের বিজেপিতে কোনো ঠাঁই নেই৷ আবার কোনটিতে লেখা রয়েছে, আইনুল তুমি শুনে নাও, বিজেপি তুমি ভুলে যাও৷

বর্ধমানের বিজেপি নেতা শ্যামল রায় দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন৷ এটা সম্পূর্ণভাবেই শাসকদলের চক্রান্ত বলে দাবী তাঁর। আইনুল হক বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় তারা ভয় পেয়েই এই কুত্সার রাজনীতি করছে বলে মনে করেন তিনি। উলটো সুর অবশ্য আইনুলের গলায়৷ তাঁর নিশানায় সিপিএম৷

আইনুলকে এনে সংগঠন মজবুতের কতা ভেবেছিল পদ্ম বাহিনী৷ কিন্তু এতো শুরুতেই সংকট৷ আইনুলকে ঘিরেই তো বিজেপিতে এখন দ্বন্দ্বের কাঁটা৷ পদ্ম ফোটাতে গিয়ে যা কাঁটা হয়ে বিঁধতে পারে বিজেপিকে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।