নয়াদিল্লি: বিদেশ থেকে গত সাড়ে চার বছরে কতটা কালো টাকা দেশে ফিরেছে, তা জানাতে কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের লিখিত নির্দেশও মানল না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দফতর।

পিএমও ওই তথ্য প্রকাশ করতে অস্বীকার করে জানিয়েছে, কালো টাকার ব্যাপারে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে এবং তারা আপাতত তদন্ত করছে। যুক্তি দেখান হয়েছে, এখন এই সব তথ্য প্রকাশ করলে তদন্ত এবং দোষীদের শাস্তি দেওয়ার প্রক্রিয়া বাধা পেতে পারে।

সঞ্জীব চতুর্বেদী নামে এক আমলা তথ্য জানার অধিকার আইনে জানতে চেয়েছিলেন, ২০১৪-র জুন মাসের পরে বিদেশ থেকে উদ্ধার হওয়া কত কালো টাকা দেশে ফিরেছে? স্বচ্ছতার আইনের ধারা উল্লেখ করে গত বছর প্রধানমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছিল, এ ভাবে তথ্য দেওয়া যাবে না। তখন সঞ্জীব কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশনের দ্বারস্থ হন। তার প্রেক্ষিতে গত ১৬ অক্টোবর তথ্য কমিশন এই ব্যাপারে লিখিত ভাবে পিএমও-কে নির্দেশ দেয়৷ যাতে ১৫ দিনের মধ্যে এই তথ্য প্রকাশ করতে বলা হয়। সেই নির্দেশেরই এবার জবাব দিল পিএমও।

এর পাশাপাশি সঞ্জীব চতুর্বেদী তথ্য জানার অধিকার আইনে তিনি জানতে চেয়েছিলেন, কত জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে? সেই তথ্যও জানাতে অস্বীকার করেছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর৷

এছাড়া রিজার্ভ ব্যাংকের প্রাক্তন গভর্নর রঘুরাম রাজন ঋণখেলাপিদের নামের যে তালিকা দিয়েছিলেন, তা প্রকাশ করার জন্য কেন্দ্রীয় তথ্য কমিশন নির্দেশ দিলেও সে ব্যাপারেও কোনও সদুত্তর মেলেনি প্রধানমন্ত্রীর দফতর।