শিলং: ভারতে খোঁজ মিলল এক দুর্লভ জাতির বাদুড়ের। এই বাদুড়ের বিশেষত্ব হল এর পা’গুলি এক একটা থালার মতো। এই বাদুড় সাধারণত ভিয়েতনামে পাওয়া যায়। কিন্তু এই প্রথম এটার খোঁজ মিলল মেঘালয়ের একটি অভয়ারণ্যে। বাঁশের জঙ্গলে এই প্রাণীটির দেখা মেলে। জেনে নেওয়া যাক এই নতুন বাদুড় সম্পর্কে। এর থেকেও কি করোনা ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে?

এই প্রজাতির বাদুড়কে ইউডিস্কোপাস ডেন্টিকুলাস বলা হয়। জ্যুলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার এক বিশেষজ্ঞ উত্তম সাইকিয়া এবং ইউরোপীয়ান ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের কিছু বিজ্ঞানী ভারতে এই দুর্লভ প্রজাতির বাদুড়ের খোঁজ পেলেন। বিজ্ঞানীরা এই বাদুড়ের ডিএনএ পরীক্ষা করে একেবারে অবাক হয়ে গিয়েছেন।

আরও খবর পড়ুন – ‘কোভিশিল্ড’-এর প্রতি ডোজ সরকারি হাসপাতালে ৪০০ টাকায়, বেসরকারিতে ৬০০

দেখা গেল, এই বাদুড়ের ডিএনএ ভিয়েতনামে পাওয়া একই ধরনের ডিএনের সঙ্গে আশ্চর্য ভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। কিন্তু মেঘালয় থেকে ভিয়েতনামের দূরত্ব প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার। তাহলে প্রশ্নটা হল এই বাদুড় এতদূর এলো কীভাবে? এই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছে বিজ্ঞানীরা।

ডা. উত্তম সাইকিয়া এবং তাঁর সহকারীরা জানাচ্ছেন, বাঁশের উঁচু কঞ্চিতে ঝুলে ঝুলে থাকতেই সবচেয়ে বেশি পছন্দ করে এই বাদুড়েরা। বাঁশের ডালে পা আটকে নীচের দিকে ঝুলে থাকে ও বাঁশের ঝোপ থেকে নানান শিকার ধরে খায়।

দক্ষিণ চিন, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মায়ানমারে এই বাদুড়ের অন্যান্য প্রজাতির সন্ধান মেলে। কিন্তু মেঘালয়ে এই বাদুড় আবিষ্কার যথেষ্ট অবাক করা বিষয়। কারণ আমরা যদি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলির কথা ধরি, সেক্ষেত্রে মেঘালয়ের নিকটতম দেশ মায়ানমার বা চিন। যদি সেখান থেকে এই বাদুড় না আসে, তাহলে বলতেই হবে ভারতেই এক নয়া প্রজাতির বাদুড়ের খোঁজ মিলেছে।

আরও খবর পড়ুন – বিশ্বজোড়া চাহিদা, রাশিয়ার Sputnik V টিকা উৎপাদনে রাজি বাংলাদেশ

ডঃ উত্তম সাইকিয়া এবং তাঁর টিম গত কয়েক বছর ধরে ভারতের বাদুড় নিয়ে গবেষণা করছেন। শুধু মেঘালয় থেকেই তারা ৬৬ ভিন্ন প্রজাতির বাদুড়ের খোঁজ পেয়েছেন। মেঘালয়ে পর্যাপ্ত বন থাকায় এখানে নানান প্রজাতির প্রাণীর বাস রয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই বাদুড় থেকে করোনা ছড়িয়ে পড়ার কোনও খবর পাওয়া যায়নি। তাই বিন্দুমাত্র আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.