নয়াদিল্লি: করোনা মহামারী চরমভাবে অর্থনীতির উপর প্রভাব ফেলেছে। ২১ অর্থবর্ষে বিলগ্নিকরণ থেকে আয় গত পাঁচ বছরে সর্বনিম্ন হতে চলেছে। এই সময় যেখানে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২.১ লক্ষ কোটি টাকা সেখানে এবার বিলগ্নিকরণ হচ্ছে ৩০,০০০-৪০,০০০ কোটি টাকা যা লক্ষ্যমাত্রার ১৪-১৯ শতাংশ। এই পরিস্থিতিতে সরকার পরের বছর অর্থাৎ ২২ অর্থবর্ষে বিলগ্নীকরণেরর লক্ষ্যমাত্রা ২ লক্ষ কোটি টাকা রাখতে চাইছে। যেহেতু ২১ অর্থবর্ষে পরিকল্পনা অনুসারে বিপিসিএল-এর স্ট্র্যাটেজিক সেল এবং লাইফ ইন্সুরেন্স কর্পোরেশন-এর কাজ এগোলেও তা বাস্তবায়িত হবে পরের অর্থবর্ষে বলেই মনে করা হচ্ছে।

বিলগ্নিকরণ থেকে এই বছরে আপাতত ১৭,৯৫৮ কোটি বা ২১ অর্থবর্ষে লক্ষ্যমাত্রার ৮.৫ শতাংশ অর্থ এসেছে। টাটা কমিউনিকেশনে সরকারের থাকা ২৬.১২ শতাংশ অবশিষ্ট মালিকাানা বেচে ফেব্রুয়ারি মার্চ মাস নাগাদ ৮০০০ কোটি টাকা আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

শেয়ার বাজার এখন বেশ উপরে থাকায় তার সুবিধা নিতে চাইছে কেন্দ্র, ফলে চলতি অর্থবর্ষের শেষে চেষ্টা করছে বেশ কিছু কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার সংখ্যালঘু শেয়ার বেচে কিছু অর্থ তুলতে চাইছে।

সরকার পরিকল্পনা করেছে বিপিসিএলের ৫২.৯৮ শতাংশ শেয়ার বিক্রি করা হবে। এর পদ্ধতিগত প্রক্রিয়া বেশ সময় সাপেক্ষ হওয়ায় এর কাজ আগামী বছরে সম্পূর্ণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। ২০১৯ সালে যখন এই সংস্থার বিলগ্নীকরণ মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছিল তখন সরকারের হাতে থাকা বিপিসিএল শেয়ারের মূল্য ছিল ৬০,০০০ কোটি টাকা। তবে বর্তমানে বাজার দর ৪৪,৫০০ কোটি টাকা। তবে শেষমেশ কতটা কি পাওয়া যাবে তা নির্ভর করছে এই শেয়ারের জন্য প্রিমিয়াম কতটা হবে তার উপর।

এদিকে এলআইসি-র আইপিও ছিল বাজেটে বিলগ্নিকরণের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় সর্ববৃহৎ অংশ। মোটামুটি এলআইসির বাজার মূল্য, ৮-১১.৫ লক্ষ কোটি টাকা সেখানে সরকার তার ১০ শতাংশ মালিকানা ছাড়লে আসতে পারে ৮০০০-১১,০০০ কোটি টাকা।

তাছাড়া এয়ার ইন্ডিয়া বেসরকারিকরণের জন্য মার্চ-এপ্রিল নাগাদ ফিনান্সিয়াল বিড হতে পারে ফলে আশা করা হচ্ছে। তাহলে পরের অর্থবর্ষে এর বিলগ্নিকরণ থেকে অর্থ আসতে পারে। যদিও বিপিসিএল এর মতো এয়ার ইন্ডিয়ার বিলগ্নিকরণ ২০২১ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে শেষ করার কথা ছিল।

এছাড়া কেন্দ্র বিলগ্নীকরণ এর জন্য আগ্রহপত্র চেয়েছে শিপিং কর্পোরেশনের ৬৩.৭৫ শতাংশ যা থেকে আসতে পারে ২৫০০ কোটি টাকা এবং বিইএমএল-এর ২৬ শতাংশ শেয়ার যা থেকে ১০০০ কোটি টাকা আসতে পারে। তা ছাড়া‌ কেন্দ্র আইডিবিআই ব্যাঙ্কের ৩০.৮ শতাংশ মালিকানা ছাড়ার জন্য আগ্রহ পত্র চেয়েছে যেটা পরের বছরে সম্পূর্ণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।