ছবি- শশী ঘোষ

মুম্বই: সুশান্ত সিং রাজপুত মামলায় এবার বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন মহারাষ্ট্রের বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নারায়ন রানে। মঙ্গলবার তিনি দাবি করেন সুশান্তের প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা সালিয়ান আত্মঘাতী হননি। দিশাকে ধর্ষণ করে খুন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার এক সাংবাদিক বৈঠকে নারায়ন রানে দাবি করেন যে দিশার ময়নাতদন্ত রিপোর্টে রয়েছে যে তাঁর শরীরের গোপনাঙ্গে ক্ষত চিহ্ন ছিল। মহারাষ্ট্র সরকার সুশান্ত ও দিশার মৃত্যুর পিছনে দায়ী অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছেন বিজেপি নেতা। সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলছেন, “এর মধ্যে কোনও দুর্নীতি রয়েছে যেটায় মহারাষ্ট্র সরকার জড়িয়ে আছে।”

রানের দাবি দিশার পরিবারের উপর কোন রকমের চাপ দেওয়া হচ্ছে। তাদেরকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে আর সেই জন্যই তারা দিশার মৃত্যুর তদন্তের দাবি করছেন না। বিজেপি নেতা আরও একটি বিস্ফোরক দাবি করেছেন।

সাংবাদিক বৈঠকে এদিন তিনি বলেন যে ১৩ জুন রাতে অর্থাৎ সুশান্তের মৃত্যুর আগের রাতে অভিনেতা দিনো মরিয়ার বাড়িতে একটি পার্টি ছিল। সেই পার্টিতে যারা উপস্থিত ছিলেন তারা দিনো মরিয়ার বাড়ি থেকে বেরিয়ে তারপরে সুশান্তের বাড়িতে যান। সেই পার্টিতে এক রাজনৈতিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেছেন নারায়ন রানে।

নারায়ন রানের ছেলে তথা নীতিশ রানেও বাবাকে সমর্থন করে বলেছেন, তাঁর বাবার কাছে নিশ্চয়ই যথেষ্ট বৈধ কোনো তথ্য রয়েছে যার উপর ভিত্তি করে তিনি এই গুলি দাবি করেছেন। তিনি বলছেন, “বাবা মহারাষ্ট্রের একজন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। আমি জানি ওঁর কাছে যথাযোগ্য তথ্য রয়েছে বলেই এই দাবি তিনি করেছেন। আমরা এই ঘটনার রহস্য সামনে আনবো।”

নীতিশেরও দাবি, মহারাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে জড়িত এমন কেউ আছেন যিনি চাইছেন না সুশান্তের ঘটনার সমস্ত রহস্য সামনে আসুক। প্রথম থেকেই জানা যাচ্ছিল সুশান্তের বাড়িতে তার মৃত্যুর আগের রাতে একটি পার্টি হয়েছিল। যদিও মুম্বই পুলিশ প্রধান পরম বীর সিং অস্বীকার করেছেন যে ওই রাতে সুশান্তের বাড়িতে কোনো পার্টি হয়েছিল।

প্রসঙ্গত, ১৪ জুন বান্দ্রার ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হয় সুশান্তের ঝুলন্ত দেহ। তদন্ত শুরু হওয়ার আগেই সমস্ত সংবাদমাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে যে সুশান্ত আত্মঘাতী হয়েছেন এবং তিনি বহুদিন ধরে অবসাদে ভুগছিলেন। এরপর কুপার হসপিটালে নিয়ে যাওয়া হয় তার দেহ এবং ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর পুলিশ জানায় সুশান্ত আত্মঘাতী। যদিও এই দাবি মানতে নারাজ সুশান্তের বহু অনুরাগী সহ বন্ধুবান্ধব। ঘটনার তদন্তে নেমেছে বিহার পুলিশ।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা