নয়াদিল্লি: ড্রাইভিং, তাও আবার লাদাখের রাস্তায়। না, মোটেই মুখের কথা নয়। কিন্তু সেই দুর্গম রাস্তাতেই পা দিয়ে গাড়ি চালাবেন বিক্রম অগ্নিহোত্রী। আগামী সেপ্টেম্বরে পা দিয়ে স্টিয়ারিং ঘুরিয়েই লে-লাদাখের রাস্তায় যাবেন তিনি।

বিক্রম অগ্নিহোত্রী। শারীরিক অক্ষমতার শিকার তিনি। কিন্তু সেই অক্ষমতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে নজির গড়তে চলেছেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘শারীরিক কিংবা মানসিক বাধাকে কখনই আমাদের লক্ষ্যের মাঝখানে আসতে দেওয়া উচিৎ নয়। মানুষের যতটা ইচ্ছা, সবটাই পূরণ করা উচিৎ।’ তাঁর কাছে রয়েছে লার্নার্স লাইসেন্স। কিন্তু পার্মানেন্ট লাইসেন্স এখনও পাননি তিনি। সেই লাইসেন্স পাওয়ার জন্য ২০ ঘণ্টার এই ট্রিপে যাবেন তিনি।

ইন্ডিয়া গেট থেকে শুরু হবে তাঁর ট্রিপ। অমৃতসর ও জম্মুতে দাঁড়াবেন তিনি। যে রাস্তায় যাবেন সেই রাস্তায় ফিরবেন না। ফেরার সময় মানালি হয়ে আসবেন বিক্রম। তিনি জানিয়েছেন, রাস্তা খুবই কঠিন। কিন্তু, এই ট্রিপ তাঁর কাছে অত্যন্ত আকর্ষণীয় হতে চলেছে।

শুধুমাত্র ড্রাইভিং নয়, বিক্রম একজন ভাল সাঁতারুও বটে। ১৯৯১ তে স্নাতকোত্তর পাশ করেন তিনি। এরপর ২০১৪ তে ফের আইন নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.