কলকাতা: ফের ভাঙন তৃণমূলে। সম্ভবত আজই বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন বসিরহাট দক্ষিণের বিদায়ী বিধা.ক তথা প্রাক্তন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস। সোমবার কলকাতায় বিজ্পির হেস্টিংসের কার্যালয়ে গিয়ে পদ্ম শিবিরে পাকাপাকিভাবে নাম লেখাতে পারেন দীপেন্দু। এবারের নির্বাচনে দল টিকিট না দেওয়ায় আগেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন দীপেন্দু বিশ্বাস। দলে কাজ করে গেলেও তাঁকে যোগ্য সম্মান দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন দীপেন্দু।

ফের শাসকের ঘর ভাঙাচ্ছে বিজেপি। তবে এক্ষেত্রে বিদায়ী তৃণমূল বিধায়ক নিজেই বিজেপিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনিই যোগাযোগ করেছেন গেরুয়া দলের নেতাদের সঙ্গে। দীপেন্দু বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠদের সূত্র থেকে এমনই খবর মিলেছে। এবার বিধানসভা ভোটে টিকিট পাননি বসিরহাট দক্ষিণের বিদায়ী বিধায়ক দীপেন্দু বিশ্বাস। দল তাঁকে টিকিট না দেওয়ায় প্রথম থেকেই ক্ষোভ ছিল দীপেন্দুর। প্রকাশ্যে সে কথা জানিয়েও ছিলেন তিনি। তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ঘোষণার দিনই দলের বিরুদ্ধে যাবতীয় ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছিলেন দীপেন্দু।

জানা গিয়েছে, দলের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশের পর থেকেই বিজেপিতে যাওয়ার ব্যাপারে মনস্থির করে ফেলেন দীপেন্দু বিশ্বাস। গেরুয়া শিবিরের রাজ্য নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। গ্রিন সিগন্যাল মিলতেই নিয়ে ফেলেন পাকা সিদ্ধান্ত। সব কিঠু ঠিকঠাক থাকলে আজই কলকাতায় বিজেপির হেস্টিংসের কার্যালয়ে গিয়ে পদ্ম শিবিরে পাকাপাকিভাবে নাম লেখাতে পারেন দীপেন্দু বিশ্বাস। ২০১৬ বিধানসভা নির্বাচনে বসিরহাট দক্ষিণ কেন্দ্রে বিজেপির শমীক ভট্টাচার্যকে হারিয়ে জয়ী হন প্রাক্তন ফুটবলার দীপেন্দু বিশ্বাস।

প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটের মুখে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। ভোটের মুখে বাংলায় দলবদলের ঘটনা নিত্যদিনই ঘটছে। শাসকদল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানের হিড়িক পড়ে গিয়েছে। রাজ্যজুড়ে মূলত তৃণমূল কংগ্রেস থেকেই নেতা-কর্মীরা যোগ দিচ্ছেন বিজেপিতে।

অন্যদিকে, ভোটের মুখে অনেকে আবার শাসকদলেও নাম লেখাচ্ছেন। তবে দলবদলের রাজনীতিতে ঘাসফুল শিবিরকে অনেকটাই টেক্কা দিতে সফল গেরুয়া শিবির। ভোটের আগে শাসকের ঘর ভাঙিয়ে বাড়তি অক্সিজেন বিজেপি শিবিরে। বিধানসভা ভোটে দলবলের এই প্রক্রিয়া ভালোই প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন বিজেপি নেতারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।