কলকাতা: ১২৯ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম অ-মুসলিম ফুটবল সচিব পেল শতবর্ষ প্রাচীন মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব। পাশাপাশি প্রথম কোনও ফুটবলার হিসেবে সাদা-কালোর ফুটবল সচিব পদে বসে ইতিহাস গড়লেন দীপেন্দু বিশ্বাস। ময়দানের অন্যতম প্রিয় বাঙালি এই স্ট্রাইকারের রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয়েছে বেশ কয়েকবছর আগেই। বর্তমানে বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক (তৃণমূল) হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ফুটবল প্রশাসক হিসেবে নতুন ইনিংস শুরু করলেন দীপেন্দু। কামারঊদ্দিনের পরিবর্তে সাদা-কালো শিবিরের নয়া সচিব হলেন দীপেন্দু ঘনিষ্ঠ ওয়াসিম আক্রম।

আর বুধবার দায়িত্ব গ্রহণ করেই বড়সড় ঘোষণা করলেন নয়া সচিব। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যেই মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকে আইএসএলে খেলাতে চান তিনি। এমনটাই জানালেন দীপেন্দু। তাঁর আগে ধাপে-ধাপে লক্ষ্যপূরণ করার কথাও জানিয়েছেন ময়দানের প্রাক্তন নামজাদা স্ট্রাইকার। দীপেন্দু জানিয়েছেন, আসন্ন মরশুমে ভালো দল গড়াই এখন প্রাথমিক লক্ষ্য তাঁর। আইএসএল খেলার আগে মহামেডানকে পুনরায় আই লিগের মূলপর্বে উন্নীত করাটাও নয়া ফুটবল সচিবের কাছে অন্যতম চ্যালেঞ্জ এখন।

তাই ভালো দল গড়তেও প্রয়াসী হয়েছেন তিনি। আর সেইসব চ্যালেঞ্জ জিততে সবার প্রথমে মহামেডান স্পোর্টিং’য়ের চাই ভালো স্পনসর। সে লক্ষ্যে ইতিমধ্যেই নেমে পড়েছেন বসিরহাট দক্ষিণের বিধায়ক। ভালো দল গড়ার লক্ষ্যে নয়া ফুটবল সচিবের উদ্যোগেই মহামেডান কথাবার্তা শুরু করেছে ২০১৯-২০ আই লিগে মোহনবাগানের জার্সি গায়ে দুরন্ত ফুটবল খেলে যাওয়া পাপা বাবাকর দিওয়ারার সঙ্গে। সবমিলিয়ে দীপেন্দু ফুটবল সচিব পদে বসতেই যেন সাদা-কালো শিবির নতুন আলোর সন্ধানে।

২০১৩-১৪ মরশুমে শেষবারের জন্য দেশের সেরা লিগে শেষবারের জন্য খেলেছিল মহামেডান। এরপর থেকে হতাশা কলকাতার অন্যতম প্রধান ক্লাবের নিত্য সঙ্গী। ভারতীয় ফুটবলের টপ সার্কিটে এরপর আর কোনওভাবেই নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি সাদা-কালো শিবির। গরিমা ফেরাতে তাই বসিরহাটের ভূমিপুত্র দীপেন্দুতেই আস্থা রাখলেন কর্তারা। কেবল ফুটবল সচিব নন, আগামী মরশুম থেকে দীপেন্দুকে দেখা যাবে কোচিং স্টাফ হিসেবেও। একইসঙ্গে ক্লাবের টেকনিক্যাল ডিরেক্টরের পদও সামলাবেন তৃণমূল বিধায়ক।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ