বেঙ্গালুরু: পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ডাইনোসর? অনেকেই হয়তো ব্রঙ্কিওসরাসের নাম নেবেন। কিন্তু সম্প্রতি আর্জেন্তিনার প্যালিওন্টোলজিস্টরা এমন এক ডাইনোসরের জীবাশ্ম হাড়ের সন্ধান পেয়েছেন যা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাণী হতে পারে। আর্জেন্তিনার উত্তর-পশ্চিম প্যাটাগোনিয়ার নিউউইন প্রদেশে এই হাড় পাওয়া গিয়েছে। ওই ডাইনোসর টিটানোসর প্রজাতির। হাড়গুলি ৯৮ মিলিয়ন বছর পুরনো।

হাড়গুলির মধ্যে ডাইনোসরের পেলভিক স্ট্রাকচার ও লেজের ২৪টি অংশের কশেরুকা পাওয়া গেছে। এই অনুসন্ধানটি গত সপ্তাহে ক্রেটিসিয়াস রিসার্চ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছিল। গবেষণাটি আর্জেন্তিনার দ্য জাপালা মিউজিয়াম, মিউজিও দে লা প্লাটা, মিউজিও এজিদিও ফেরুগলিও ও রাও নেগ্রো এবং জারাগোজা বিশ্ববিদ্যালয় এই গবেষণাটি পরিচালিত করছে। টিনটানসোররা সওরোপোদার গ্রুপের অধীনে পড়ে। এরা সওরোপড হিসাবে পরিচিত। পৃথিবীতে যে সব প্রাণী তখন ছিল সওরপডস ছিল তাদের মধ্যে অন্যতম। তাদের দীর্ঘ ঘাড় এবং লেজ, বিশাল দেহ, ছোট মাথা, চারটি হাতির মতো পা ছিল। এরা নিরামিষভোজী।

জুরাসিক পার্ক ছবিতে যে সব জনপ্রিয় ডাইনোসর ছিল, তারা সবাই সওরোপড প্রজাতির। এদের মধ্যে ছিল ডিপ্লোডোকস, অ্যাপাটোসরাস, ব্রঙ্কিওসরাস এবং ব্রন্টোসরাস। এই ডাইনোসররা জুরাসিক যুগে (১৫০ মিলিয়ন বছর আগে) পৃথিবীতে বাস করত। ক্রেটিসিয়াস যুগের শেষের দিকে (প্রায় ৭০ মিলিয়ন বছর আগে) টিটানোসররা প্রাধান্য পেয়েছিল। ৬৬ মিলিয়ন বছর আগে পৃথিবীতে একটি বড় গ্রহাণু ধাক্কা দেয়। তখন বেশিরভাগ অ-অ্যাভিয়ান ডাইনোসরগুলির মতো ক্রিটাসিয়াস-প্যালিওজিন প্রজাতিও পৃথিবী থেকে মুছে যায়।
জানা গেছে যে টিটানোসরাস হল সওরোপডদের মধ্যে বৃহত্তম। বিলুপ্তির আগে অন্যান্য সমস্ত সওরোপডকে এরা মেরে ফেলে। ৪০ হাজার কেজি থেকে ৯০ হাজার কেজি হত এদের ওজন। প্রাণীগুলির মধ্যে বৃহত্তম টিটানোসরাস জীবাশ্মগুলি পাতাগোনিয়া থেকে এসেছে। ওখানেই নতুন জীবাশ্ম পাওয়া গেছে।

টিটানসোসারগুলি অ্যান্টার্কটিকা ব্যতীত সমস্ত মহাদেশেই পাওয়া গেছে। সর্বাধিক পরিচিত দুটি ডাইনোসর হল প্যাটাগোটিয়ান এবং আর্জেন্টিনোসর। এদের ওজন প্রায় ৭০ হাজার কেজি থেকে ৯৯ হাজার কেজি। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন নতুন জীবাশ্মের পায়ের হিউমারাস বা ফিমার হাড় ছাড়া ডাইনোসরটি কতটা বড় ছিল এবং এর কত ওজন ছিল তা নির্ধারণ করা কঠিন। তবে তাঁদের অনুমান ডাইনোসরটি আর্জেন্টিনোসর এবং প্যাটগোটিটিয়ানদের আকার এবং ওজনকেও ছাড়িয়ে যায়। বিজ্ঞানীরা আরও অনুমান করেছেন যে প্রাণীটি ১২২ ফুট দীর্ঘ হতে পারে। এর ওজন হতে পারে প্রায় ৯০ হাজার কেজি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।