নয়াদিল্লি: ১৯৮৩ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে তাঁর মহামূল্যবান ডেলিভারিতেই ঠকে গিয়েছিলেন ইংরেজ অধিনায়ক স্যার ইয়ান বথাম। তাই ৮৩ বিশ্বকাপের কথা উঠলে বিশ্বকাপ জয়ী কপিলের দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে কীর্তি আজাদের নাম থাকবে না সেটা তো হতে পারে না। তাই দেরিতে হলেও সুনীল গাভাস্কর, মহিন্দর অমরনাথ, সন্দীপ পাতিলদের পর কবীর খানের আপকামিং বায়োগ্রাফিক্যাল স্পোর্টস ড্রামা ৮৩’র কীর্তি আজাদের লুক প্রকাশ্যে আনলেন রণবীর সিং।

কপিল দেবের পাশাপাশি ছবির পার্শ্বচরিত্র হিসেবে গত ১১ জানুয়ারি প্রথম সুনীল গাভাস্করের লুক প্রকাশ্যে এসেছিল। লিটল মাস্টারের চরিত্রে তাহির রাজ ভাসিনের ছবি প্রকাশ্যে এনে চমক দিয়েছিলেন পর্দার কপিল। লিখেছিলেন, ‘তিনি আসছেন।’ এরপর একে একে বিশ্বকাপ জয়ের উইনিং ডেলিভারিটি যার থেকে বেরিয়েছিল, সেই মহিন্দর অমরনাথের চরিত্রে সাকীব সালিম ও সন্দীপ পাতিলের চরিত্রে চিরাগ প্যাটেলের ছবি প্রকাশ্যে এসেছিল। অবশেষে বৃহস্পতিবার প্রকাশ পেল অফ-স্পিনার কীর্তি আজাদের সিনেম্যাটিক লুক।

আজাদের চরিত্রে অভিনয় দিয়ে বলিউডে অভিষেক হতে চলেছে দিনকার শর্মার। ওয়েব দুনিয়ায় যদিও গত বছরেই দিনকারের সঙ্গে পরিচিত হয়েছিলেন নেটিজেনরা। সৌজন্যে নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘দিল্লি ক্রাইম’। সোশ্যাল মিডিয়ায় কীর্তি আজাদের চরিত্রে তরুণ অভিনেতার ছবি পোস্ট করে রণবীর লেখেন, ‘সবসে শারারতি’ অর্থাৎ ‘সবচেয়ে দুষ্টু’। ছবির অফিসিয়াল টুইটার পেজেও পোস্ট করা হয় একই পোস্টার। আর এই পোস্টারের সঙ্গে সঙ্গেই মোটামুটি বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়কদের মোটামুটি সবক’টি চরিত্রই প্রকাশ্যে চলে এল সিনেপ্রেমীদের।

আগামী ১০ এপ্রিল মুক্তি পাচ্ছে ‘৮৩’। ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের পটভূমিতে তৈরি হওয়া ছবিতে মুখ্য হিসেবে তুলে ধরা হবে কপিলদেবের চরিত্রটি। সিলভার স্ক্রিনে যে চরিত্র পোর্ট্রে করবেন বলিউডের বাজিরাও রণবীর সিং। ইতিমধ্যেই বিভিন্ন পোস্টার কিংবা রণবীরের নটরাজ শটের লুকে অনুরাগীদের অবাক করেছেন তিনি। এখন অপেক্ষা শুভমুক্তির। মাল্টিস্টারার ছবিটিতে রয়েছে একাধিক হেভিওয়েট নাম। কপিলদেবের স্ত্রী’র চরিত্রে থাকছেন বাস্তবে রণবীরের অর্ধাঙ্গিনী দীপিকা পাড়ুকোন স্বয়ং। এছাড়াও হার্ডি সান্ধু, বোম্যান ইরানি, পঙ্কজ ত্রিপাঠিরা থাকছেন অন্যান্য বিভিন্ন চরিত্রে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।