কলকাতা : এবার ক্রমশ রাজ্যে শাসক তৃণমূলের প্রতিপক্ষ হিসেবে উঠে এসেছে বিজেপি। আর সেই অবস্থায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকা তৈরি করতে হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেসকে । সেই তালিকা করতে গিয়ে কিছুটা রদ বদল করতে হয়েছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বেশ কিছু মন্ত্রী বিধায়ক বাদ পড়েছেন। যদিও তার মধ্যে দিনহাটা কেন্দ্রে তৃণমূলের টিকিট পেয়েছেন উদয়ন গুহ। ২০১১ সালে যখন রাজ্য রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছিল তখন অবশ্য এই উদয়ণ গুহ তৃণমূলে ছিলেন না । পরবর্তীকালে তিনি যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। যদিও সেই সময় এভাবে উদয়ণ গুহকে নিয়ে আসাটাকে ভাল ভাবে নেয়নি স্থানীয় তৃণমূল নেতারা।

দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রটি এ রাজ্যের কোচবিহার জেলার অবস্থিত। দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রটি দিনহাটা পৌরসভা, দিনহাটা-২ সিডি ব্লক এবং ভেটাগুড়ি-১, দিনহাটা গ্রাম-১, দিনহাটা গ্রাম-২ এবং পুটিমারি-১ গ্রাম পঞ্চায়েত গুলি দিনহাটা-১ সিডি ব্লকের অন্তর্গত। দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রটি আবার কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্র(এসসি) র অন্তর্গত।

উত্তরবঙ্গের দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রটি দীর্ঘ দিন ধরে  ফরওয়ার্ড ব্লকের শক্ত খাঁটি বলে পরিচিত ছিল। ১৯৭৭ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত প্রতিটি বিধানসভা নির্বাচনের মধ্যে একমাত্র ২০০৬ বাদে সবকটি নির্বাচনেই এই কেন্দ্রটির মানুষেরা ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থীকেই জিতিয়ে এসেছে । দীর্ঘদিন এই কেন্দ্র থেকে বিধায়ক ছিলেন কমল গুহ। তারই পুত্র উদয়ন গুহ ২০১১ সালে দিনহাটা থেকে জিতে বিধানসভায় গিয়েছিলেন । অর্থাৎ সেই নির্বাচনেও উদয়ণ গুহ ছিলেন ফরওয়ার্ড ব্লকের নেতা । সেবার ভোটে জিতে বিধানসভায় গেলে কিছু দিন পর থেকে তাঁকে সেভাবে অন্য় বাম নেতাদের মতো শাসক তৃণমূলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে দেখা যেত না। ফলে তাঁকে নিয়ে নানা রকম রটনা হতে থাকে। অবশেষে ২০১৫ সালে সেই জল্পনার অবসান ঘটেছিল। তিনি তৃণমূলে যোগ দেন। উদয়ন গুহ যখন তৃণমূলে যোগ দেন সেই সময় তিনি শুধু ফরওয়ার্ড ব্লকের বিধায়ক নন তিনি সেই সময় আবার দিনহাটা পুরসভার চেয়ারম্যানও ছিলেন।

উদয়ণ গুহ দলবদল করে তৃণমূলে এলে তখন তাঁকে স্বাগত জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেই সময় মমতার বক্তব্য ছিল,উনি দক্ষ সংগঠক, ওর বাবা কমল গুহের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল। আর তারই পুত্র আগামী দিনে দিনহাটা থেকে লড়বেন বলে সেদিন জানিয়েছিলেন। এভাবে উদয়ণের আসা ঘিরে অসন্তোষ দেখা গিয়েছিল স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে। তবুও এর পরে ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দিনহাটা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস উদয়ন গুহকেই প্রার্থী করেছিলেন এবং সেই ভোটে তিনি জেতেন। এবারও দেখা যাচ্ছে তাঁকেই নির্বাচনের টিকিট দিলেন দিদি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।