স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: বিজেপির অভিযোগে সরগরম বারাকপুর৷ তবে মানছেন না দীনেশ৷ তাঁর দাবি অর্জন সিং বাহুবলী৷ তাই ওকে মারার প্রশ্নই ওঠে না৷

ভোট পঞ্চমীতে উত্তপ্ত বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র৷ কোথাও বিরোধী এজেন্টকে বসতে বাধা, কোথাও ছাপ্পা, আবার কোথাও ভয় দেখানোর অভিযোগ রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে৷

এদিন সকাল গড়াতেই বারাকপুর লোকসভার মোহনপুরে বিজেপি এজেন্টকে বসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ আসে৷ প্রার্থী অর্জুন সিং ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন৷ তাঁকে মেরে মুখ ফাটিয়ে দেওয়া হয়৷ রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন৷

তবে, এই ঘটনায় বারাকপুরের তৃণমূল প্রার্থী দীনেশ ত্রিবেদীর প্রতিক্রিয়া, ‘‘ও তো নিজেই বাহুবলী৷ ওকে কে মারবে?’’ তাঁর সংযোজন, ‘‘ক্যামেরায় সব ছবিই ধরা পড়ে৷ ছাপ্পা কোথায় হচ্ছে তার ছবি তুলে কমিশনে অভিযোগ জানান৷’’

খোদ অর্জুন গড়ে বিজেপি এজেন্টদের বসতে বাঁধা। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটলেন বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়৷ বারাকপুর লোকসভার বীজপুরের ১১৬ নম্বর বুথে মকপোল ডিলিট করতে ভুলে গেলেন প্রিসাইডিং অফিসার৷ সকাল ৭টায় শুরু হয় ভোট গ্রহণ৷ পরে বিষয়টি নজরে আসে সবার৷ ততক্ষণে বহু ভোটার ভোট দিয়ে দিয়েছেন৷ এরপর প্রিসাইডিং অফিসারের নির্দেশে ফের ভোট দিতে আসেন বেশ কিছু ভোটর৷ প্ররিসাইডিং অফিসারে ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিজেপি৷

নৈহাটির বিভিন্ন বুথে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ বিজেপির৷ খবর পেয়েই নৈহাটির বিজয়নগর বালিকা বিদ্যালয়ে যান বারাকপুরের বিজেপি প্রার্থী অর্জন সিং৷ তাঁকে দেখেই বিক্ষোভ শুরু কতরেন তৃণমূল কর্মীরা৷ অর্জুনের বিরুদ্ধে ভোট পক্রিয়ায় পালটা সন্ত্রাসের অভিযোগ করেন তারা৷ বিজেপি প্রার্থী নিজে বহিরাগতদের পিছনে ধাওয়া করেন। অভিযোগ পুলিশের সামনে বুথের বাইরে কিছু বহিরাগতরা দাঁড়িয়ে ছিল৷ সেখানে ভোটারদেরকে ভোটদানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে।অর্জুন সিং বলেন, পুলিশকে জানিয়েও লাভ না হওয়ায় তিনি নিজেই তাড়া করেন ওই জামায়েতের পিছনে।