ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা : পুজোর আগেই চূড়ান্ত চার্জশিট দিতে চায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাই এক এক করে নেতা মন্ত্রী, অভিনেতা অভিনেত্রীকে ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ইডি ও সিবিআই। সিবিআই সূত্রে খবর, দুদিন আগে তৃণমূল তৃণমূল বিধায়ক তমোনাশ ঘোষকে ডেকে জেরা করেছে সিবিআই।

সেদিন ৫ ঘন্টার বেশি সময় ধরে সিবিআই তাকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই দফতরে জেরা করে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তৃণমূল নেতা দীনেশ ত্রিবেদীকেও। এমনটাই সূত্রের খবর। সারদা রোজভ্যালির মত বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার টাকা কোথায় গিয়েছে। রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে কোন কোন নেতা প্রভাব খাটিয়ে বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থাগুলিকে আমানতকারীদের থেকে টাকা তুলতে সাহায্য করেছে। মূলত এই সব বিষয়ে জানতে চায় তদন্তকারী অফিসারেরা।

তৃণমূল নেতাকে কেন জেরা?

এক সময়ের দাপুটে ছাত্র নেতা তমোনাশ ঘোষ তৃণমূলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলার’ কোষাধ্যক্ষ ।এবং বর্তমানে তিনি তৃণমূলের ফলতার বিধায়ক।কয়েক বছর আগে দলের মুখপত্র ‘জাগো বাংলার’ পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর আঁকা ছবির প্রদর্শনী হয়েছিল। কলকাতা পুরসভার একটি হলেও ছবির প্রদর্শনী হয়েছিল। তা নিয়েও নিয়েও কলকাতা পুরসভারকে নোটিশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I