মুম্বই: কোন যুক্তিতে বাদ পড়লেন পন্ত? বিশ্বকাপের দরজা খুলল দীনেশের৷

উইকেট কিপিংয়ে অভিজ্ঞতায় এগিয়ে থাকার কারণেই বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে পন্তের বদলে দীনেশকে অগ্রাধিকার দিয়েছে ভারতীয় নির্বাচক কমিটি৷ এরপরই ক্রিকেট সমর্থকরা দ্বিধাবিভক্ত৷ অনেকেই দীনেশকে পন্তের আগে রাখার যুক্তি মানতে নারাজ৷

শেষ এক বছরের ক্রিকেট দেখলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে চাপ সামলানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে পন্তের৷ ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গিয়ে টেস্ট ক্রিকেট খেলেছেন৷ এখন প্রশ্ন, কিপিং টেকনিকে দীনেশই যদি এগিয়ে থাকে তবে ঋদ্ধিমান চোট পেতে অতীতে তাঁকেই খেলানোর পথে হাঁটল না কেন বোর্ড৷

ক্রিকেটমহলের বেশিরভাগ অংশের মত, কোহলির বিশ্বকাপ দলে পন্ত থাকলে ব্যাটিংয়ে আরও শক্তিশালী হওয়ার সুযোগ ছিল৷ তার চেয়েও বড় কথা দলে বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যানের সংখ্যা কম৷ শিখর ছাড়া দলে বাঁ-হাতি কোনও ব্যাটসম্যান নেই৷ পন্ত থাকলে একজন বাঁ-হাতি জুড়ত দলে৷ বলার অপেক্ষা রাখে না, কোহলির সঙ্গে আলোচনা করে পন্তের বদলে দীনেশকে বেছে নিলেন নির্বাচকরা৷সেক্ষেত্রে পন্তকে বাইরে রেখে ভুল করলেন নাতো বিরাট!  পন্তকে বাইরে রাখার সিদ্ধান্তে অবাক গাভাসকরের মতো সিনিয়ররাও৷

ফ্ল্যাশব্যাকে ২০০৩ বিশ্বকাপ৷ সেবার দ্রাবিড়ের হাতে কিপিং গ্লাভস তুলে দিয়েছিলেন সৌরভ৷ বিশ্বকাপে দ্রাবিড়কে ব্যাটসম্যানের পাশাপাশি কিপারের ভূমিকায় ব্যবহার করেছিলেন মহারাজ৷ দ্রাবিড়ের মতো কিপারকে দিয়ে দলকে বিশ্বকাপ ফাইনালে তুলেছিলেন ক্যাপ্টেন সৌরভ৷

এক্ষেত্রে পন্তের মতো কিপার কি তাহলে বিরাটের দলে অযোগ্য? যদি এমনটাই হয়, তাহলে পন্ত কেন টেস্টে ঋদ্ধিমানের বিকল্প হিসেবে খেলেছেন! তাহলে তো প্রসাদদের উচিত ছিল, ইংল্যান্ড সফরেই ঋদ্ধির পরিবর্তে পন্তকে না পাঠিয়ে দীনেশকে পাঠানো৷ টেস্টেই যদি এমনটা না হয়ে থাকে, তবে ওয়ান ডে’তে কেন ধোনির বিকল্প হিসেবে নয় পন্ত !

শুধু তাই নয়, ব্যাটসম্যান হিসেব ধোনির সঙ্গে খেলেছেন পন্ত৷ মিডল অর্ডারে পন্তকে খেলিয়ে সেক্ষেত্রে দলের ব্যাটিং শক্তি আরও বাড়ানো সম্ভব ছিল৷