হায়দরাবাদ: রইস সিনেমায় শাহরুখের সবচেয়ে হিট সেই ডায়লগের কথা মনে পড়ে৷ স্মৃতির পাতা হাতরানোর প্রয়োজন নেই৷ সিকোয়ন্সটা কিছুটা ছিল এইরকম৷

কপাল থেকে রক্ত ঝড়ছে৷ হাতে পিস্তল, চোখে মোটা পাওয়ারের চমশা৷ শত্রুর দিকে বন্দুক উঁচিয়ে এমন অবস্থায় আহত রইস বলছেন ‘ব্যাটারি নেহি বোলনে কা!’

কিং খানকে নকল করে এবার সেই ডায়লগই আওড়ালেন তাঁর ফ্রাঞ্চাইজির ক্রিকেটার৷নাইট তারকা ক্রিস লিন যেমন রইস সিনেমায় শাহরুখের ব্যবহৃত চশমার মতো একটি চশমা পড়ে কিং খানের হিট ডায়লগে গলা মিলিয়ে বললেন, ‘ব্যাটারি নেহি বোলনে কা৷’

সেই ডায়লগে কিং খানের মতো ইমোশন ঝড়ে না পড়লেও ভাঙা ভাঙা হিন্দিতে তা শুনতে লাগল বেশ৷শাহরুখ কিন্তু সিনেমায় তাঁকে ব্যাটারি বলতে মানা করেছিলেন৷সামনে না হলেও ক্যামেরার সামনে মজা করে সেই দু:সাহস দেখালেন লিন৷

নারিন আবার ভিলেন নয় বেছে নিলেন শাহরুখের প্রেমিক অবতার ৷চেন্নাই এক্সপ্রেসের হিট ডায়লগে গলা মিলিয়ে ক্যারবিয়ান মিস্ট্রি স্পিনার বললেন, ‘ডোন্ট আন্ডারএসটিমেট, পাওয়ার অফ এ কমন ম্যান৷’ একবারে নয়, তিনবারের চেষ্টায় অবশেষে পুরো ডায়লগটি আওড়াতে পেরেছেন সুনীল৷

প্লে-অফের থেকে এক কদম দূরে দাঁড়িয়ে অন্য দলগুলোর জন্য কি এভাবে হুংকার দিয়ে রাখলেন নারিন৷ সদা হাসিখুশি নারিনকে দেখে অবশ্য ভিতরের ইমোশন বেঝায় উপায় নেই৷

পীযূষ আবার স্ট্রাইলিস হিরো৷কিং খানের দিলওয়ালে থেকে বেছে নিলেন হিট ডায়লগ৷ একেবারে ফিল্মি কায়দায় বললেন, ‘হাম সারিফ কা হো গেয়ে, পুরি দুনিয়া হি বাদমাস হো গ্যায়া৷’ চোটের কারণে পীযূষ শেষ ম্যাচে খেলতে পারেননি৷ তাই বলা যেতেই পারে চোট সারিয়ে দলে ফেরার আগে প্রতিপক্ষের জন্য এযেন মৌখিক হুংকার৷

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের মাভি-গিল জুটি আবার ‘ম্যা হু না’র রাম-লক্ষ্মণ৷ শারুখীয় কায়দায় মাথার উপর দিয়ে হাত ঘুরিয়ে কানের পাশ থেকে এনে স্টাইল মারলেন দেদার৷

সবশেষে স্ক্রিনে এলেন নাইট কাপ্তান দীনেশ কার্তিক৷ তাঁর মুখে শাহরুখের রইসের বিখ্যাত সেই ডায়লগ, ‘কোই ভি ধান্দা ছোটা নেহি হোতা৷’ কার্তিক অবশ্য ডায়লগটা পাল্টে বললেন, ‘কোই ভি ম্যাচ ছোটা নেহি হোতা,অউর ক্রিকেট কে বিনা কোই ধরম নেহি৷’