কলকাতা: রাজ্যসভার নির্বাচন ঘিরে বিধানসভায় নাটক তুঙ্গে। রাজ্যসভার পঞ্চম আসনে নির্দল হিসেবে প্রার্থী হলেন প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক দীনেশ বাজাজ। একেবারে শেষ মুহূর্তে রীতিমতো দৌড়ে মনোনয়নপত্র পেশ করলেন দীনেশ বাজাজ। দলের প্রাক্তন এই বিধায়ককে রাজ্যসভার ভোটে তৃণমূল সমর্থন করবে বলে জানা গিয়েছে।

এরাজ্য থেকে রাজ্যসভার পঞ্চম আসনে দাঁড়ালে দীনেশ বাজাজকে সমর্থন করার সম্ভাবনার কথা দিন কয়েক আগেই জানিয়েছিলেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শুক্রবার দুপুরে বিধানসভায় যান দীনেশ বাজাজ। রাজ্যসভার পঞ্চম আসনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেন তিনি। এ প্রসঙ্গে দীনেশ বাজাজ বলেন, ‘রাজ্যসভার নির্বাচনে লড়ব নির্দল হিসেবে’।

এরাজ্য থেকে বিধানসভা আসনের নিরিখে পাঁচ জন সাংসদ রাজ্যসভায় যাবেন। সেক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের চার ও সিপিএমের এক প্রার্থীর জয় নিশ্চিত। পঞ্চম আসনটি নিয়েই যাবতীয় লড়াইয়ের সম্ভাবনা। তবে ওই আসনেও নির্দল প্রার্থীকে সমর্থন করার ভাবনা তৃণমূল শিবিরের। রাজ্যসভার ৪ আসনে ইতিমধ্যেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। আগেই মনোনয়নপত্র জমা দেন তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত বক্সি ও দীনেশ ত্রিবেদী।

শুক্রবার মনোনয়নপত্র জমা দেন মৌসম বেনজির নূর ও অর্পিতা ঘোষ। এদিন মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে মালদহ জেলা তৃণমূলের সভানেত্রী মৌসম নূর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। অন্যদিকে, মনোনয়ন পেশ করে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা তৃণমূলের সভানেত্রী অর্পিতা ঘোষ বলেন, ‘২০১৯ সালে আমরা জিততে পারিনি যে কোনও কারণে। আমাদের নেত্রী মনে করেছেন হয়তো রাজ্যসভায় আমরা কাজ করতে পারব। তাই তিনি আমাদের সুযোগ দিয়েছেন।’

এদিকে, বৃহস্পতিবারই বাম-কংগ্রেস জোটের প্রার্থী বিকাশ ভট্টাচার্য মনোনয়নপত্র পেশ করেছেন। বাম পরিষদীয় নেতা সুজন চক্রবর্তীর সঙ্গে কংগ্রেসের মুখ্য সচেতক মনোজ চক্রবর্তী, প্রবীণ কংগ্রেস বিধায়ক অসিত মিত্ররা মনোনয়ন-পর্বে উপস্থিত ছিলেন। রাজ্যসভার নির্বাচনে জয় নিয়ে সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।

কলকাতার প্রাক্তন মেয়র তথা বিশিষ্ট আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের আরও দাবি, রাজ্য রাজনীতির বর্তমান প্রেক্ষাপটে মাঠে নেমে একজোট হয়ে লড়াই করছে বাম-কংগ্রেস। রাজ্যসভার নির্বাচনেও একজোটে পথ চলছে দু’পক্ষ। দুই দলের সব বিধায়করাই ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন। সেই কারণেই রাজ্যসভার ভোটে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।