নয়াদিল্লি : কেন্দ্র আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছিল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়ে ছিলেন আলোচনার মাধ্যমেই কৃষকদের সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে। তবে বিক্ষোভকারী কৃষকরা সেই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়েছেন। নয়া কৃষি বিলের বিরোধিতায় যে আন্দোলন চলছে, তা চলবে বলে জানানো হয়েছে কৃষকদের তরফে।

এদিকে, বুরারি গ্রাউন্ডে আলোচনার জন্য বসতে বলা হয়েছিল, তাও নাকচ করা হয়েছে। কোনও রকম আলোচনায় বসতে রাজি নন তাঁরা। ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের মুখপাত্র রাকেশ টিকাইত জানান, রামলীলা ময়দানেই বিক্ষোভ দেখাবেন তাঁরা। কেন্দ্রের নির্ধারিত কোনও এলাকাতে তাঁরা যাবেন না। কেন্দ্রের তরফ থেকে যে সুবিধা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তাও নাকচ করে দিয়েছেন প্রত্যেক বিক্ষোভকারী।

একের পর এক রাজ্য থেকে রাজধানীর দিকে হাজার হাজার কৃষকের যাত্রা অব্যাহত। উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, পাঞ্জাব এবং হরিয়ানার সীমানা পার করে দিল্লি ঘেরাও করতে মরিয়া কৃষকরা। মোদী সরকারকে টানা অবরোধে বেঁধে রাখতে অন্তত ছয় মাসের খাবার নিয়ে এসেছেন বলেই জানিয়েছেন বিদ্রোহী কৃষকরা।

পরিস্থিতি আঁচ করে কেন্দ্রীয় সরকার শর্ত সাপেক্ষে আলোচনার বৈঠকের বার্তা দিলেও কৃষকরা তা মানতে নারাজ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ জানিয়েছেন, সরকার আলোচনা করতে তৈরি। আগামী ৩ ডিসেম্বর দিন ধার্য হয়েছে। এই বার্তার পরেও বিক্ষোভের রেশ আরও ছড়ায়। রবিবার কৃষক সংগঠনগুলি নিজেদের মধ্যে আলোচনা করেই সরকারকে পাল্টা বার্তা দেবে। এমনই জানানো হয়েছে।

এদিকে, বিরোধী কংগ্রেস, সিপিআইএম, সিপিআই সহ বিভিন্ন বাম দল ও একাধিক বিরোধী দল কৃষক আন্দোলনকে সমর্থন করেছে। এই আন্দোলনে সামিল এনডিএ জোট ত্যাগ করা শিরোমনি আকালি দল। তারাও সরকারের কৃষি নীতির প্রবল বিরোধিতা করে জোট ছাড়ে।

কেন্দ্রের নতুন কৃষি নীতি প্রত্যাহারের দাবিতে মিছিলের সমর্থনে দেশের অন্যান্য রাজ্যগুলিতেও চলছে কৃষক বিক্ষোভ। বাম কৃষক সংগঠনের পাশাপাশি এতে সামিলার এআইকেএসসিসি, আরকেএমএস, বিকেইউ (রাজেওয়াল), বিকেইউ (চাদুনি) সহ অন্যান্য কৃষক সংগঠন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।