হাঁসখালি: নাগরিকত্ব আইন ও জাতীয় নাগরিকপঞ্জী নিয়ে এরাজ্যে গন্ডগোলের যাবতীয় দায়ভার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাঁধে চাপালেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ মুখ্যমন্ত্রীর জন্যই হিংসা রুখতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করেনি পুলিশ, এমনই অভিযোগ দিলীপ ঘোষের৷

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসির প্রতিবাদে গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় চলে বিক্ষোভ, আন্দোলন৷ বাস পুড়িয়ে, ট্রেন জ্বালিয়ে কেন্দ্রীয় আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ দেখান বিক্ষোভকারীরা৷ একাধিক এলাকায় রেলস্টেশনে চলে ব্যাপক ভাঙচুর৷ স্টেশনের কন্ট্রোলরুম, টিকিট কাউন্টারেও যথেচ্ছভাবে ভাঙচুর চালানো হয়৷ আসবাবপত্র, কম্পিউটারে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়৷ একের পর এক বিক্ষোভে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে রাজ্যের স্বাভাবিক জনজীবন৷ আর এই ইস্যুতেই রাজ্য সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলোধনা করলেন দিলীপ ঘোষ৷ মমতাকে বিঁধে বিজেপি রাজ্য সভাপতির অভিযোগ, ‘বিক্ষোভকারীদের পাশে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ কয়েকদিন ধরেই অশান্ত বাংলা৷ সব দেখেও কোনও পদক্ষেপ করেননি মুখ্যমন্ত্রী৷ দেশের সম্পত্তি নষ্ট হতে দিয়েছেন৷’

এরই পাশাপাশি, আন্দোলনকারীদেরও একহাত নিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি৷ দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ‘আন্দোলনের নামে দেশের সম্পত্তি যারা নষ্ট করছে, তারাই অনুপ্রবেশকারী৷ এই অনুপ্রবেশকারীরাই বাংলার সবচেয়ে বড় বিপদ৷ এদের তাড়াতেই দেশে এনআরসি চাই৷ বিক্ষোভ দেখানোর নামে আগুন জ্বালানো হচ্ছে৷’

একইসঙ্গে রাজ্য সরকারকে নিশানা করে দিলীপ ঘোষের আরও অভিযোগ, ‘রাজ্য সরকারের মদতেই নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি নিয়ে বিক্ষোভে মদত দেওয়া হয়েছে৷ বিক্ষোভের নামে হাঙ্গামা, আগুন জ্বালানোর মতো ঘটনা ঘটলেও কোনও ব্যবস্থা নিতে দেখা যায়নি রাজ্য প্রশাসনকে৷’

এদিকে, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসির প্রতিবাদে একটানা পথে নেমে আন্দোলন করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বাংলায় কোনওভাবেই নাগরিকত্ব আইন ও এনআরসি কার্যকর করা হবে না বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী৷ কেন্দ্রের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনের বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নিজেও সোমবার থেকে পথএ নেমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন তৃণমূলনেত্রী৷ সোমবার আম্বেদকর মূর্তি থেকে গান্ধি মূর্তি পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিলে হাঁটেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ মঙ্গলবারও একই ইস্যুতে যাদবপুর এইটবি বাসস্ট্যান্ড চত্বর থেকে মিছিল করেন৷ যদুবাবুর বাজার পর্যন্ত মিছিল করেন মমতা৷
বুধবারও হাওড়া ময়দান-ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিল করেন তৃণমূল সুপ্রিমো৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I