মুম্বই: সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে আজই বাড়িতে ফিরবেন দিলীপ কুমার (Dilip Kumar)।মুম্বইয়ের হিন্দুজা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন আজকেই হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। রবিবার ভোর রাত থেকেই শ্বাস কষ্ট শুরু হয় দিলীপ কুমারের। দ্রুত তাকে মুম্বইয়ের হিন্দুজা হাসপাতালে (Hinduja Hospital) ভর্তি করা হয়।

করোনা (Covid 19) আক্রান্ত হননি বলেই তাঁকে নন-কোভিড হাসপাতালেই (Non-Covid Hospital) ভর্তি করান হয়েছিল তাকে।হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা জানান অভিনেতার ২টি ফুসফুসেই জল জমেছে। শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা কম থাকলেও স্থিতিশীল ছিলেন তিনি।

দিলীপ বাবুর সহস্র ভক্ত, তার দ্রুত সুস্থতার কামনা করেছেন। প্রবীণ অভিনেতা দিলীপ কুমারের অসুস্থতার খবর প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই চিন্তায় রয়েছিলেন তার আপামর ভক্তকুল। তাই সোমবার বেলার দিকে দিলীপ কুমারের অফিসিয়াল টুইটার একাউন্ট থেকে তার হেলথ আপডেট জানান হয় তার পরিবারের পক্ষ থেকে। সেখানে বলা হয়েছিল দিলীপ বাবুকে অক্সিজেন সাপোর্টে রাখা হয়েছে।

ভেন্টিলেশনে রাখার প্রয়োজন পরেনি। তবে বর্ষীয়ান অভিনেতার শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। তার বেশ কিছু পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়েছিল। সেই রিপোর্ট গুলি আসার অপেক্ষা। বক্ষ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার জলিল পরকর (Jalil Parkar)এর অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন দিলীপ কুমার।

এরই মাঝে আবার অভিনেতার শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা বলে নানা ধরনের গুজব রটতে শুরু করে বাতাসে। এই খবর পরিবারের কাছে পৌঁছতে দ্রুত দেওয়া হয় অফিশিয়াল বিবৃতি।অভিনেতার স্ত্রী সায়রা বানু (Saira Banu) সকলকে অনুরোধ করেছিলেন কোনও রকম গুজবে কান না দিতে।

গত ১০ জুন অর্থাৎ বৃহস্পতিবার হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার কথা ছিল অভিনেতার। ১ দিন পিছিয়ে অবশেষে বাড়ি ফিরবেন তিনি। গতবছর করোনা আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত হয়েছেন দিলীপ কুমারের দুই ভাই। আসলাম খান (Aslam Khan) (৮৮) এবং এহসান খান (Ehsan Khan) (৯০)।

অভিনেতার পাকিস্তানের পৈতৃক ভিটে নিয়ে বেশ অনেক দিন যাবত টানাটানির পর অবশেষে বাড়িটি যাদুঘরে রূপান্তরিত করার জন্যে পাকিস্থানের (Pakistan) খাইবার পাখতুনখোয়া সরকার শিলমোহন দিয়েছেন। হিন্দি সিনেমা জগতে অভিনেতার কৃতিত্ব দেশবাসীর কাছে তুলে ধরার জন্যেই এমন উদ্যোগ নিয়েছে পাকিস্থান সরকার।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.