স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: যুব মোর্চার রাজ্য কমিটিতে কোনও পরিবর্তন চান না তিনি। নিজের অনড় অবস্থান দলের কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়কে জানিয়ে দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। ৩০ অগস্ট যুব মোর্চার রাজ্য কমিটি ঘোষণা করেন এর রাজ্য সভাপতি সাংসদ সৌমিত্র খান।

আজ, ৬ সেপ্টেম্বর নতুন কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পরে খোদ সৌমিত্রই জানান যে সেটি বাতিল হয়ে গিয়েছে। কিন্তু এর কারণ কি? জানা গিয়েছে, শনিবার বিজেপির হেস্টিংসের কার্যালয়ে কৈলাসের সঙ্গে বৈঠক হয় দিলীপবাবুর। সেই বৈঠকে দিলীপবাবু জানিয়ে দিয়েছেন, যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক পদে কোনও পরিবর্তন তিনি চান না। এই ডামাডোলের জন্য এদিন বৈঠক হয়নি।

বিজেপি–র দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ শঙ্কুদেব পাণ্ডা বা অনুপম হাজরাকে বিজেপি–র যুব মোর্চার রাজ্য সাধারণ সম্পাদক করতে চান কৈলাস। বিজেপি সূত্রের খবর, এই নিয়ে দিলীপবাবুর সঙ্গে যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খান, কৈলাস এবং আর এক কেন্দ্রীয় নেতা শিবপ্রকাশের মতান্তর হয়।

কিন্তু তারপরও শনিবার যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক পদে কোনও পরিবর্তন তিনি চান না বলেই কৈলাশকে জানিয়ে দিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, শেষ পর্যন্ত যুব মোর্চার রাজ্য কমিটি অপরিবর্তিত থাকলে বিজেপির গোষ্ঠী সমীকরণে মুকুলবাবুর চেয়ে দিলীপবাবুর পাল্লাই ভারী থেকে যাবে।

উল্লেখ্য, শুক্রবার যুব মোর্চার ২৯টি জেলার সভাপতির নামের তালিকা প্রকাশ করেন সৌমিত্র খাঁ তা বিজেপির মিডিয়া হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে দেওয়ার এক মিনিটের মধ্যে মুছে দেওয়া হয়। ওই তালিকাতেও বেশ কিছু জেলা সভাপতিদের নাম নিয়ে আপত্তি ছিল দিলীপ ঘোষের। কিন্তু সেটা ধোপে টেকেনি।

পরে সেই তালিকা প্রকাশের পর সৌমিত্র খাঁ বলেন, “রাজ্যে ২ বছর হয়েছে দলে যোগ দিয়েছি। নিয়ম রয়েছে আগে রাজ্য কমিটি ঘোষণা করা হবে। তারপর জেলা কমিটি ঘোষণা করার নিয়ম। সেই কারণে আগে ঘোষিত জেলা সভাপতিদের নাম বাতিল করা হয়েছিল। তবে তাঁরা এখন বহাল থাকবেন। সেই তালিকার কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না।”

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।