স্টাফ রিপোর্টার, দার্জিলিং: পাহাড়ে ‘পরিবর্তন যাত্রা’র সূচনা করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। মঙ্গলবার সকালে দার্জিলিংয়ে তাঁকে কালো পতাকা দেখালেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার কর্মীরা। পাশাপাশি ‘গো ব্যাক’ স্লোগানও দেওয়া হয়। বিক্ষোভকারীরা মোর্চা প্রধান বিমল গুরুংয়ের অনুগামী বলে জানা গিয়েছে৷

এদিন সকাল থেকেই দার্জিলিং স্টেশন চত্বর, ঘুম এলাকায় বিজেপি বিরোধী বিক্ষোভে উত্তপ্ত। বছর তিন আগেও দার্জিলিংয়ে গিয়ে ব্যাপক হেনস্তার মুখে পড়েছিলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। সেবার তাঁকে মারধর করার ঘটনাও ঘটে। মঙ্গলবার তিনি পাহাড়ে পা রাখামাত্রই ফের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ৫ অক্টোবর দু‍দিনের দার্জিলিং সফর ছিল দিলীপ ঘোষের। প্রথম দিন ৪ অক্টোবর থেকেই তাঁর সফর নিয়ে উত্তাপ ছড়ায় পাহাড়ে। বিভিন্ন জায়গায় কালো পতাকা দেখানো হয়। কিন্তু ৫ অক্টোবর দার্জিলিং জেলা সদরে ‘গোর্খা দুখ নিবারণী সমিতি’র হলের সামনের সভাস্থলে প্রথমে হামলার ঘটনা ঘটে। দিলীপের মাইক কেড়ে নেওয়া হয়।  দার্জিলিং সদর থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে তাঁকে ধাক্কাধাক্কি করা হয় রাস্তার উপর। সেবার বিনয় তামাংয়ের অনুগামীদের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ করেছিলেন দিলীপ ঘোষ৷

বলে রাখি, এখন পাহাড়ের সমীকরণ অনেকটাই বদলেছে৷ তিন বছর অজ্ঞাতবাসে থাকার পর পুজোর ঠিক আগেই রাজ্যে ফিরেছেন একদা পাহাড়ের নেতা বিমল গুরুং। তিনি আসন্ন নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সমর্থনে সুর চড়িয়েছেন। এরপরই মোর্চা গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকট হয়ে ওঠে।

দু-দিন আগেই বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার৷ সূত্রের খবর, জেলা পুলিশকে এই নির্দেশ দিয়েছে রাজ্যের আইন দফতর৷ ইউএপিএ, খুনের মামলা ছাড়া অন্যান্য মামলা প্রত্যাহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷ আদালত রাজ্য সরকারের প্রস্তাব মেনে নিলে বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত মামলাই খারিজ হয়ে যাবে মনে করছে আইনজীবী মহল।

২০১৭ সালে পাহাড় উত্তপ্ত হয়ে উঠলে বিমল গুরুং-এর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা করে রাজ্য পুলিশ। সরকারি দফতরে অগ্নিসংযোগ, পুলিশের উপরে হামলা, গাড়ি ভাঙচুর, পুলিশ কর্মী হত্যা, দার্জিলিং ও কালিম্পংয়ের নানা জায়গা বিস্ফোরণ ঘটানোর অভিযোগে আইপিসি’র বিভিন্ন জামিন অযোগ্য ধারার পাশাপাশি ইউএপিএ ধারাতেও মামলা দায়ের করে রাজ্য সরকার।  ৭০-এর বেশি মামলা রয়েছে গুরুংয়ের বিরুদ্ধে। জানা গিয়েছে, সেই মামলাগুলি প্রত্যাহারের নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।
পাহাড়ে অশান্তির পর বিমল গুরুংয়ের বিরুদ্ধে দেশদ্রোহীতার মামলা দায়ের করেছিল মমতা সরকার। তারপরেই অন্তর্ধান হয়ে গিয়েছিলেন বিমল গুরুং। ডিসেম্বরে কলকাতায় এসে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। বিজেপির বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করেছিলেন। তারপর থেকেই গুরুংকে সামনে রেখে পাহাড়ে হারানো জমি পুনরুদ্ধারে নেমেছে তৃণমূল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।