বালুরঘাট : মাস্ক নেই বিজেপির রাজ্য সভাপতি ও সাংসদ দিলীপ ঘোষের। প্রবল করোনা সংত্রমণের কারণে নির্বাচনী প্রচারে কড়াকড়ি করেছে কমিশন। প্রধানমন্ত্রী মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বড় জমায়েত থেকে দূরে। তবে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ মাস্কা ছাড়া প্রচার করেই চলেছেন। বিতর্ক বাড়ছে।

দক্ষিণ দিনাজপুরে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে অংশ নেন দিলীপ ঘোষ। বালুরঘাটের পথসভায় তিনি বলেন, আর চুপচাপ নয়, এখন খোলাখুলি ও জোরদার ভাবে পদ্মের ছাপ দিন। বালুরঘাট বিধানসভার হিলিতে নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য রাখেন। তিনি দাবি করেন ষষ্ঠ দফা পর্যন্ত ৬-০তে এগিয়ে বিজেপি।

বৃহস্পতিবারই জেলার তপনে নির্বাচনী প্রচারে ভ্যাকসিনের দাম নিয়ে কেন্দ্রের নিন্দা করেন তৃণমূল নেত্রী। রাজ্য সরকারের তরফে ১৮ থেকে সবাইকে বিনামূল্যে দেওয়ার হবে বলে মমতা বন্দোপাধ্যায়।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন গত দেড় বছরে মমতা বন্দোপাধ্যায় পিপিই কীটস ও ওষুধপত্র কিছুই দিতে পারেননি। সবটাই প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন। দেশের বাইরে বিদেশেও প্রধানমন্ত্রী তা দিয়েছেন। যে কারণে বিশ্বের ভরসা নরেন্দ্র মোদী। তিনি সবার ভ্যাকসিন পাওয়ার ক্ষেত্রে নরেন্দ্র মোদীর উপর ভরসা রাখতে বলেন।

বাংলাদেশ সীমান্ত শহর হিলির বাস স্ট্যান্ড এলাকার এই পথসভায় বিজেপি সভাপতি সরাসরি মমতাকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি। তিনি বলেন সাদা শাড়ির দিন চলে গেছে। সাদা দাড়ির দিন এসেছে। সেই সঙ্গে কলকাতায় করোনায় আক্রান্তদের হাসপাতালের বেড পেতে সমস্যা প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করেন দিলীপ ঘোষ।

বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের বিধি নিষেধের কারনে দিলীপ ঘোষের রোড শো স্থগিত হয়। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট বিধানসভার অন্তর্গত হিলি, কুমারগঞ্জ বিধানসভার অন্তর্গত মোট ৫টি জায়গায় ভার্চুয়াল পথ সভা করবার সিদ্ধান্ত নেন দিলীপবাবু। তিনি বলেন, দিদি আপনার মুখ কেউ দেখতে চায় না তাই ভাঙা পা দেখিয়ে যাচ্ছেন।

দিলীপ ঘোষের বেনজির কটাক্ষ ৬২ বছর বয়সে কী খেলবেন, ছিলেন স্ট্রাইকার – হয়ে গেলেন ধারাভাষ্যকার। তিনি এও বলেন নন্দীগ্রামে দিদির খেলা শেষ হয়ে গেছে, আর খেলা নয়-এক্সট্রা টাইম চলছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি এদিন দাবি করেন, ষষ্ঠ দফা নির্বাচনের পর ১৬০টি আসন আমার পকেটে এসে গেছে।

হিলি সভা মঞ্চ থেকে দিলীপ ঘোষের প্রতিশ্রতি তারা ক্ষমতায় এলে মেয়েদের কে.জি থেকে পি.জি পর্যন্ত পড়াশুনা ফ্রি হবে। এবং সেই সঙ্গে তিনি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুলিশে মহিলাদের নবদুর্গা ব্যাটেলিয়ন গড়ার কথাও বলেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.