স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বীরভূমে তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে নির্বাচন কমিশনের নজরবন্দি রাখার সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ তিনি বলেন, “অনুব্রতকে একটু বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে৷ এটা যা হচ্ছে তা নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়৷”

গত বিধানসভা নির্বাচনের মতো লোকসভা নির্বাচনেও বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলকে নজরবন্দি করল নির্বাচন কমিশন। ভোটকর্মীদের দাবি মেনে সোমবার ভোটের দিন তাঁর গতিবিধিতে নজর রাখবে কমিশন।তাঁর সঙ্গে সর্বক্ষণ থাকছেন এক জন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের অফিসার এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তিনি কোথায় যাচ্ছেন, কী করছেন, তার পুরোটাই ভিডিয়োগ্রাফি করে রাখার বন্দোবস্ত করা হয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর।

মঙ্গলবার সকাল সাতটা পর্যন্ত তাঁর উপর নজরদারি চলবে৷এমনকি তাঁর একটি ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে৷তবে সোমবার ভোট দিতে বুথে যাওয়ার জন্য অনুমতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এব্যাপারে দিলীপ ঘোষ বলেন, “যে লোকটা এলাকায় উত্তেজনা ছড়াচ্ছে, মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে তাকে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে কমিশন৷”

উল্লেখ্য, অনুব্রত মণ্ডলকে নজরবন্দির আর্জি জানিয়ে কমিশনে চিঠি দিয়েছিলেন খোদ ভোটকর্মীরা। শনিবারই রাজ্যের মুখনির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাবকে চিঠি লিখে ‘ভোটকর্মী ঐক্যমঞ্চ’-এর তরফে অভিযোগ করা হয়, শাসকদলের হয়ে কাজ করার জন্য তিনি ভোটকর্মীদের হুমকি দিচ্ছেন। এই অবস্থায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন সকলে। তার পর রবিবারই কমিশনের এই দাওয়াই।

যদিও অনুব্রতর সাফ জানিয়ে দিয়েছেন কমিশনের কোনও দাওয়াই তাঁকে ব্যাকফুটে পাঠাতে পারবে না৷ বরং ভোটে দাওয়াই-ই হিট হবে৷তিনি বলেন, “আমার কিছু আসে যায় না৷ পাগলের মতো করছে এগুলো৷ আমি ভোটের দিনে কোথাও যাই না৷ পার্টি অফিসে বসে থাকি৷ সকাল ১০টায় বেরিয়ে ভোটে যা ওষুধ দেওয়ার দিয়ে এসেছি৷ কোথাও জ্বরের ওষুধ কোথাও ঠান্ডার ওষুধ দিয়েছি৷”