স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ‘জয় শ্রী রাম’ ধ্বনীতে বুদ্ধিজীবীদের আপত্তি নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করে পালটা আক্রমণের পথে হেঁটেছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ৷ দিলীপের মতে, জয় শ্রী রাম ধ্বনীতে বুদ্ধিজীবীদের সমস্যা হয়৷ কিন্তু রাজ্য জুড়ে খুন সন্ত্রাসের ঘটনা দেখে তাঁর মুখ বন্ধ করে থাকেন৷ এ কেমন দ্বিচারিতা৷

প্রসঙ্গত, শুক্রবারই নোবেল পুরস্কার জয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন বাংলায় জয় শ্রী রাম ধ্বনী নিয়ে মুখ খুলেছেন৷ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি বলেছেন, ‘‘লোক কে প্রহার করতে হলে এখন এসব বলা হচ্ছে৷’’ শনিবার শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্মদিনে তার মূর্তিতে মাল্যদান করতে এসে মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ৷

রাজ্যে জয় শ্রী রাম ধ্বনী নিয়ে বিতর্কের ঝড় বয়ে গিয়েছে৷ বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন মত দিয়েছে৷ বিজেপি কর্মীরা তৃণমূল নেতাদের দেখলেই জয় শ্রী রাম বলে স্বাগত জানাচ্ছেন৷ বাদ যাচ্ছে না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও৷ রাজ্যের বিভিন্ন দিকে সংখ্যালঘু মানুষকে জয় শ্রী রাম বলানো চেষ্টা হচ্ছে৷ ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনাও৷ অনেকে এও মনে করছেন, শাসকদলের নেতাদের প্রতি রাগ উগড়ে দিতেই সাধারণ মানুষ জয় শ্রী রাম – কে হাতিয়ার করেছে৷

তবে বিজেপি জয় শ্রী রাম-কে রাজনৈতিক অ্যাজেন্ডা বানাতে ছাড়েনি৷ লোকসভা নির্বাচন চলাকালীন চন্দ্রকোণায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যাত্রা পথে কিছু মানুষ জয় শ্রী রাম ধ্বনী দেন৷ তিনি মেজাজ হারান৷ তার পর থেকেই জয় শ্রী রাম-ই যেন রাজ্যের মূল বিতর্কিত আলোচনা৷ বিজেপির মনে এটি একটি ধর্মীয় ধ্বনী৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই ধ্বনীতে রাজনীতির রং লাগিয়েছেন৷ বিতর্ক চলছে৷

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I