কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের খুব বেশি দেরি নেই। ইতিমধ্যেই বেজেছে দামামা। জোর প্রস্তুতিতে নেমেছে সব দল। একদিন যখন শুভেন্দুর দলবদলের জল্পনা তুঙ্গে। তারই মধ্যে প্রশান্ত কিশোরের নাম করে আক্রমণ করলেন দিলীপ ঘোষ।

তৃণমূলের অন্দরে যে ভোট কৌশলী প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে, এমন কথা রাজনৈতিক মহলে ঘোরাফেরা করছে। আর সেই সমস্যার কথাই টেনে আনলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি বলেন, ৫০০ কোটি টাকা দিয়ে লোক আনা হয়েছে, তা নিয়ে দলের অন্দরে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে ইতিমধ্যেই। তাঁর দাবি, কিছুদিনের মধ্যেই স্লোগান উঠবে ‘PK হঠাও, TMC বাঁচাও’।

তৃণমূলের অন্দরে নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

লোকসভা ভোটে খারাপ ফলাফলের পরই নির্বাচনী রণকৌশল সাজাতে প্রশান্ত কিশোরের সংস্থাকে নিযুক্ত করে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। বিভিন্ন জেলায় গিয়ে বিভিন্ন নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করে ভোটের প্রস্তুতিও শুরু করে দেন প্রশান্ত।

কিন্তু সম্প্রতি তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক তাঁর বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। সবার প্রথম মুখ খোলেন কোচবিহার দক্ষিণ বিধায়ক মিহির গোস্বামী। তিনি বলেছিলেন, ‘‌কোনও রাজনৈতিক দল কোনও কনট্র‌্যাক্টর সংস্থাকে দিয়ে চালাতে গেলে সেই সংগঠনের ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ১০০ শতাংশ।’ তৃণমূলের এই গোষ্ঠী-কোন্দলকে কাজে লাগিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তুলছে বিজেপি। ইতিমধ্যেই পিকের বিরুদ্ধে মুখ খুলে দল ছেড়ে পদ্মশিবিরে যোগ দিয়েছেন মিহির গোস্বামী।

নাম না করে প্রশান্ত কিশোরকে নিশানা করে ব্যারাকপুরের তৃণমূল সাংসদ শীলভদ্র দত্ত বলেন, ‘‌’‌একটা বাজারি কোম্পানি, বাইরে থেকে আসা একটা সংস্থা, তার কর্মীরা এখন আমাদের রাজনৈতিক জ্ঞান দিচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করার পরে ওই সংস্থার ছেলেরা এসে আমাকে বলছে, ‘‌ভোট নিয়ে ভাবতে হবে না। আমরা তো জেতানোর জন্য এসেছি।’

এটা কি দিল্লি, মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ?‌ বাংলা আর কেরলে মানুষ রাজনীতি করেন আবেগ দিয়ে।’‌’‌ অসন্তোষ প্রকাশ করেন মুর্শিদাবাদের হরিহর পাড়ার তৃণমূল বিধায়ক নিয়ামত শেখ। জনসভায় তিনি বলেন, ‘‌সর্বনাশের মূলে পিকে। প্রশান্ত কিশোর কে?‌ উনি কি দলের নেতা?‌ কোন পদে রয়েছে?‌ যিনি দলের কেউ নন, তাঁর কথা শুনব কেন?‌’‌

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।