কলকাতা: বিধানসভা ভোটের আগে ভোটার লিস্ট নিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের৷

তার অভিযোগ, ভোটার লিস্টে ঢুকেছে ৪-৫ লক্ষ রোহিঙ্গার নাম৷ তিনি সংবাদমাধ্যমকে আরও বলেন,বিষয়টি নির্বাচন কমিশনকেও জানানোর চিন্তাভাবনা রয়েছে৷ তাছাড়া বলেছেন তৃণমূল ছেড়ে সবাই চলে আসছেন৷ তার কারণ তৃণমূল এখন সমাজবিরোধী, সন্ত্রাসবাদীদের দলে পরিণত হয়েছে৷ বাংলায় আসল গদ্দার হল তৃণমূল৷ মানুষের সঙ্গে কথা দিয়ে কথা রাখেনি৷

এদিকে গত শুক্রবার প্রকাশিত হয়েছে রাজ্যের সংশোধিত ভোটার তালিকা৷ কমিশন সূত্রে খবর, নতুন তালিকায় মোট ভোটার সংখ্যা ৭ কোটি ৩২ লক্ষ ৯৪ হাজার ৯৮০ জন। ভোটার বেড়েছে প্রায় ২০ লক্ষ৷ তবে সংশোধিত তালিকায় বাদ পড়েছেন ৬ লক্ষ ভোটার৷

নতুন ভোটার তালিকা অনুযায়ী, আগেরবারের থেকে ভোটার সংখ্যা বেড়েছে ২.০১ শতাংশ। সংশোধিত তালিকায় পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ৩ কোটি ৭৩ লক্ষ ৬৬ হাজার ৩০৬ জন। মহিলা ভোটারের সংখ্যা ৩ কোটি ৫৯ লক্ষ ২৭ হাজার ৮৪ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটারের সংখ্যা ১ হাজার ৭৯০ জন।

এদিকে রাজ্যে এসেছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা সহ কমিশনের বাকি শীর্ষ আধিকারিকরা।রাজ্যের ইলেক্টোরাল অফিসার ও পুলিশের নোডাল অফিসারের সঙ্গে বৈঠক সারবে এই বেঞ্চ। এছাড়া বৈঠক করা হবে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ও জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গেও।

আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবারও থাকছে দুটি বৈঠক। সকালে রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সদস্যরা। বিকেলে জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা কমিশনের আধিকারিকদের।

উল্লেখ্য, কমিশনের ফুল বেঞ্চের বৈঠকের আগে জেলাশাসকদের বিস্তারিত রিপোর্ট তৈরি রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব।

অতি সম্প্রতি বঙ্গ সফরে এসে সমস্ত রিপোর্ট নিয়ে গিয়েছেন উপ নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন। তিনি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি জানিয়ে দিয়েছেন যে রাজ্যে ১০০ শতাংশ শান্তি ফিরলে তবেই হবে ভোট। পাশাপাশি উপ নির্বাচন কমিশনার কমিশনারের হুঁশিয়ারি, কর্তব্যে কোনও গাফিলতি থাকলে জেলাশাসক, পুলিশ সুপারদের মতো সরকারি আধিকারিকদের সরাসরি অপসারণ করা হবে। শো–কজের সুযোগও দেওয়া হবে না।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

জীবে প্রেম কি আদৌ থাকছে? কথা বলবেন বন্যপ্রাণ বিশেষজ্ঞ অর্ক সরকার I।