বাঁকুড়া: তৃণমূল যুব সভাপতি, সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী কে সিবিআই নোটিশ প্রসঙ্গে কটাক্ষের সুর বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের।

বাঁকুড়ার কোতুলপুরে দলের ‘পরিবর্তন যাত্রা’য় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ওনাকে নোটিশ দিয়েছে। যা জিজ্ঞেস করবেন উনি বলবেন। বলা উচিৎ। এর আগে অনেক নেতাকে নোটিশ দিয়েছে। তারা গেছেন, যা জিজ্ঞাসা করেছে বলেছেন। ওনার যদি কোনো গন্ডগোল না থাকে তাহলে সোজাসুজি গিয়ে বলে আসবেন।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ট্যুইট প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘যে ভয় পায় লোকে তাকেই ভয় দেখায়। হিম্মত থাকলে আমাকে ভয় দেখাক।’ একই সঙ্গে কেন ভয়ের কথা বলছেন প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন,আমি আগেই বলেছি, চোর ধরেছে সিবিআই, ভয় পেয়েছে দিদিভাই। এতদিন লোককে ভয় দেখাচ্ছিল এখন নিজেরা ভয় পাচ্ছে।

সিবিআই নোটিশ প্রসঙ্গে বামেদের প্রতিক্রিয়া নিয়েও এদিন মুখ খুলেছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, তৎপরতা আগেই হওয়া উচিৎ ছিল। তবুও তো হয়েছে। ওনারা তো চিরদিনই বলেছেন সিবিআই কাজ করেনা। করলেই আবার কষ্ট। ভোট আসবে বলে কি সিবিআই কাজ করবে না?

ব্রিগেড থেকে নজর ঘোরাতেই সিবিআই হানা সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক সুর্যকান্ত মিশ্রর মন্তব্য প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি বলেন, ব্রিগেডে আগে লোকজন আসুক। দোকান তো সব বন্ধ হয়ে গেছে। নিচুতলার কর্মীরা হতাশ হয়ে বিজেপিতে চলে এসেছে। ব্রিগেডে লোক আসবে কোথা থেকে। ঝাড়খন্ড থেকে আসবে। দলটা বেঁচে আছে সেটা আগে প্রমান করুন বলেও চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন তিনি।

ভোট ঘোষণার আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে আসা প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ বলেন, রাজ্যে যুদ্ধের পরিবেশ। সারা দেশে যখন কোথাও উগ্রপন্থী পাওয়া যাচ্ছেনা, তখন বীরভূম, মালদা, মূর্শিদাবাদে পাওয়া যাচ্ছে। বোমা-বন্দুকের কারখানার হদিশ মিলছে, বিদেশি রোহিঙ্গারা এরাজ্যে এসে চাল থেকে একশো দিনের কাজ নিয়ে নিচ্ছে। এসব বিষয়ই প্রমাণ করে এরাজ্যে যুদ্ধের পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে বিজেপি রাজ্য সভাপতি, দিলীপ ঘোষ দাবি করেন।

পরিবর্তন যাত্রা ও সভায় দিলীপ ঘোষ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাজ্য যুব মোর্চা সভাপতি ও স্থানীয় সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, দলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সুজিত অগস্থী প্রমুখ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।