স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আমরা কখনও গোর্খাল্যান্ডের দাবি সমর্থন করিনি। আমরা তাঁদের সমস্যার স্থায়ী সমাধানের চেষ্টা করেছিলাম। বুধবার গুরুংয়ের বিজেপির সঙ্গ ত্যাগের ঘোষণার পর এমনই প্রতিক্রিয়া দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

পড়ুন আরও- ২০২১ এ তৃণমূলের সঙ্গেই জোট, কলকাতায় ঘোষণা ‘ফেরার’ গুরুং

তাঁর বক্তব্য, ক্ষমতার লোভে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আত্মসমর্পণ করলেন গুরুং। ৩ বছরের অজ্ঞাতবাস শেষে প্রকাশ্যে এসে বুধবার চমক দিলেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার নেতা বিমল গুরুং। এদিন হঠাৎই কলকাতায় উদয় হন বিমল গুরুং। সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহযোগী রোশন গিরি।

সাংবাদিক বৈঠক করে গুরুং বলেন, আমি এখনো মনে করি গোর্খাল্যান্ড গঠনের মাধ্যমেই আমাদের সমস্যার রাজনৈতিক সমাধান সম্ভব। তাই যে দল আমাদের দাবিকে সমর্থন করবে আমরা তাকেই সমর্থন করব।

এর পরই বিজেপির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলে গুরুং বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারবার গোর্খাল্যান্ড গঠনের আশ্বাস দিলেও ৬ বছরে সেই দাবি পূরণ হয়নি। তাই আমরা বিজেপির সঙ্গ ত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

মুখ্যমন্ত্রীর প্রশংসা করে গুরুং বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আদর্শ নেত্রী। আমরা চাই ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী দেখতে চাই মমতাকে। বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের সঙ্গে লড়তে চাই।

দিলীপ ঘোষের প্রশ্ন, “এক সময় তো তৃণমূলের সঙ্গে ছিলেন উনি। কেন তৃণমূল ছাড়তে হয়েছিল তাঁকে? তিন বছর ধরে ওনাকে ও কয়েক শ যুবককে পাহাড়ের বাইরে থাকতে হয়েছে? তার জন্য দায়ী কে?”

গুরুংয়ের রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “ছত্রধর মাহাতোর স্টাইলে তাঁর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার অভিযোগ থাকা সত্বেও তাঁকে দিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করানো হচ্ছে।” সেইসঙ্গে পাহাড়ের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দায়ী করেছেন দিলীপ ঘোষ বলেন।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।