স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: কয়েকদিন আগেই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের নামে অভিযোগ করেছিলেন অর্জুন সিং। পরে অর্জুনের উদ্দেশ্যে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন দিলীপ। এই গরম আবহাওয়ার মধ্যেই অর্জুনের এলাকায় গিয়ে তাঁর হাতে রাখি বেঁধে দিলেন দিলীপ ঘোষ। যা রাজ্য রাজনীতিতে চরম কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।

মঙ্গলবার উত্তর ২৪ পরগনার পলতায় ‘চায়ে পে চর্চায়’ যোগ দেন দিলীপ ঘোষ। সেখানেই বিভেদ তত্ত্ব খারিজ করে অর্জুন সিংয়ের হাতে নিজে রাখি পরিয়ে দেন দিলীপ ঘোষ। নিজে হাতে বারাকপুরের বিজেপি সাংসদের হাতে রাখি পরে দলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার ডাক দেন দিলীপ ঘোষ।

অর্জুন সিংকে রাখি পরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, “অর্জুনের সঙ্গে কোনও বিরোধ নেই। বিরোধীরা বিরোধের চেষ্টা করলেও লাভ হবে না। এটা একটা অপপ্রচার করা হচ্ছে। বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছে তৃণমূল।” অর্জুন সিংয়ের পাশাপাশি নোয়াপাড়ার বিধায়কের হাতেও রাখি পরান দিলীপ ঘোষ।

দিন কয়েক আগেই অর্জুন সিং দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠকে তিনি স্পষ্টতই অভিযোগ করেন, রাজ্যে মাত্র দু’-তিনজন নেতার হাতে দলের ক্ষমতা কুক্ষিগত হয়ে আছে। রাজ্য নেতৃত্বর বিরুদ্ধে চূড়ান্ত অসহযোগিতার অভিযোগও তোলেন তিনি।

এরপরই রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘২০২১ সালে বাংলায় বিজেপিকে একাই ক্ষমতায় নিয়ে আসবে দিলীপ ঘোষ। যাঁরা বিশ্বাস করবেন না, তাঁরা ঘরে বসে থাকুন। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী হলে মিষ্টি খেয়ে যাবেন।’ যা নিয়ে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে দলের অন্দরে।

গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর, এই আস্ফালনের জন্য দিলীপের বিরুদ্ধে দলের অনেকেই দিল্লিতে নালিশ করেছেন। আর এরপরই অর্জুনকে রাখি পরিয়ে এদিন ড্যামেজ কন্ট্রোল করার চেষ্টা করলেন দিলীপ ঘোষ।

এদিন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ৫ অগাস্ট অযোধ্যায় ভূমি পুজো পালন করতে গিয়ে রাজ্যে কোনও রকম পুলিশি বিরোধিতার মধ্যে পড়তে হয়, তাহলে কি করবেন? সেই সময় পাশে বসা অর্জুন সিংকে দিলীপ ঘোষ প্রশ্ন করেন তাঁর বিরুদ্ধে সরকারের কটি মামলা রয়েছে।

সেই সময় অর্জুন সিং উত্তর দেন ৯৩ টি। দিলীপ ঘোষ বলেন, যেদিন অর্জুন সিং-এর বিরুদ্ধে মামলার সংখ্যা ১০০ হবে, সেদিন অর্জুন সিংকে তিনি ১০০ পদ্মফুলের মালা দেবেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।