স্টাফ রিপোর্টার, খড়গপুর: ‘বদলাও হবে, বদলও হবে’-একুশের নির্বাচনে আগে এটাই বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের স্লোগান। ‘ঢাকঢাক গুড়গুড়’ না করেই তিনি বলেছেন, ‘বদলা না-নিলে লোকে আমাদের কাপুরুষ বলবে’। শনিবার দাঁতনে গিয়ে দলীয় কর্মীদের মনে আরও একবার আগুন জ্বালিয়ে দিলেন দিলীপ ঘোষ।

দাঁতনে দলীয় কর্মী খুনের জন্য পুলিশকে দায়ী করে দিলীপ ঘোষ এদিন বলেন, “পুলিশ এখানে নীরব দর্শক হয়ে রয়েছে। পুলিশ এখন তৃণমূলের ক্যাডার হয়ে গিয়েছে।” তিনি বলেন, “এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ১০৪ জন দলীয় কর্মী ও নেতা খুন হয়ে গিয়েছেন।”

রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “আমরা কথা দিচ্ছি প্রতিটা মৃত্যুর ঋণ শোধ করব। পুলিশ-সহ সমস্ত তৃণমূলের দালালদের বুঝে নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, বাড়ি থেকে বাজারে যাওয়ার পথে স্থানীয় একদল লোকজনের সশস্ত্র হামলায় জখম হয়েছিলেন দাঁতনের কুশমি গ্রামের যুবক পবন জানা৷ বিজেপি’র দাবি, পবন তাদের কর্মী হওয়ায় তৃণমূল তাকে খুন করেছে৷

শনিবার তার দেহ ময়না তদন্তের পর মিছিল করে গ্রামে নিয়ে যাচ্ছিলেন দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসুরা। গ্রামে দেহ পৌঁছতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয়রা৷ পুলিশের ভূমিকা ও তৃণমূলের সন্ত্রাসের অভিযোগ করে পুলিশের গাড়ির ওপরে হামলা করেন তাঁরা৷ এরপর বেলা একটা নাগাদ গ্রামে দেহ নিয়ে মিছিল করে প্রবেশ করেন বিজেপি নেতারা।

দিলীপ ঘোষ বলেন, “বাংলায় এই সরকার যতদিন থাকবে ততদিন পর্যন্ত এই রাজনীতি, হিংসা বন্ধ হবে না।”তিনি এও বলেন, “সর্বত্র জনরোষ তৈরি হয়েছে। পবন জানার পরিবার বিজেপি করে বলে এই রকম নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে।”

তবে দিলীপের বদলা নেওয়ার প্রসঙ্গে আগেই দলের কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা বলেছেন, “বিজেপির একটাই পথ-শান্তি এবং উন্নয়ন। এই পথ থেকে বিজেপি সরবে না। এর থেকে বেশি কিছু বলার নেই।” মুকুল রায়ের কথায়, “দিলীপ কী বলেছেন, না-জেনে মন্তব্য করব না। তবে এটা বলতে পারি, হিংসা বিজেপির কারও পথ নয়।”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ