মেদিনীপুর: সপ্তাহের প্রথম দিনেই উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। নারদ মামলায় (Narad Scam) একদিকে সিবিআই (Cbi) গ্রেফতার করেছে রাজ্যের দুই মন্ত্রী, এক বিধায়ক ও বিজেপির এক নেতাকে। অন্যদিকে, এদিনই খোদ মুখ্যমন্ত্রী (Chief Minister) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে থানায় নালিশ বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের (Dilip Ghosh)।

‘রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ’, মূলত এই অভিযোগ এনে পশ্চিম মেদিনীপুরের কোতোয়ালি থানায় এদিন FIR দায়ের করেছেন দিলীপ ঘোষ। এমনকী সেই অভিযোগপত্রটি রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankhar) , রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, স্বরাষ্ট্রসচিব এইচকে দ্বিবেদী ও রাজ্য পুলিশের ডিজিকেও (Dgp) পাঠিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। ‘বহিরাগত’ মন্তব্যে রাজ্যে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করেছেন তৃণমূলনেত্রী, এমনই অভিযোগ বিজেপি (Bjp) রাজ্য সভাপতির।

উত্তপ্ত রাজ্য-রাজনীতি। বিধানসভা ভোট মিটতেই ফের রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। এক কথায় ঘটনাবহুল সোমবার। এদিন সকালে নারদ মামলায় রাজ্যের দুই মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও কামারহাটির তৃণমূল বিধায়ক তথা তৃণমূল নেতা মদন মিত্রকে গ্রেফতার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। এরই পাশাপাশি গ্রেফতার করা হয় বিজেপি নেতা শোভন চট্টোপাধ্যায়কেও। নিজাম প্যালেসে (Nijam Palce) নিয়ে গিয়ে গ্রেফতার করা হয় চারজনকে।

এদিকে, এদিনই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও পশ্চিম মেদিনীপুরের কোতোয়ালি থানায় এদিন FIR দায়ের করেছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ‘‘বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রচারে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার ডাক দিয়েছেন তিনি। উসকানি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর এমন ধরনের মন্তব্য পাবলিক ডোমেনে রয়েছে।’’ এরই পাশাপাশি এদিন তিনি আরও বলেন, ‘‘বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় তাণ্ডব চালাচ্ছে তৃণমূলের কর্মীরা। তৃণমূলনেত্রীর ইন্ধন রয়েছে।’’

এদিন কোতোয়ালি থানায় তৃণমূল সুপ্রিমোর নামে অভিযোগ জানানোর পাশাপাশি সেই অভিযোগপত্রটি রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়, রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়, স্বরাষ্ট্রসচিব এইচকে দ্বিবেদী ও রাজ্য পুলিশের ডিজিকেও পাঠিয়েছেন দিলীপ ঘোষ। বিজেপি রাজ্য সভাপতির দাবি, আইন অনুযায়ী তৃণমূলনেত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত পুলিশের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.