স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আইনি নোটিশ পাঠানোর ৭২ ঘন্টা কেটে গেলেও তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে ক্ষমা চাননি। সেই কারণেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি শুরু করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

গত ২৮ শে ডিসেম্বর, রবিবার বিকেলে নোদাখালির মুচিশা হাইস্কুল মাঠের সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “ভাইপো বলে বারবার আমাকে ডাকা হয়েছে। যে ভারতীয় জনতা পার্টি আমাকে বারবার ভাইপো বলে ডাকছে, তাদের সাহস থাকলে আমার নাম ধরে ডাকুক।”

সেই সঙ্গে বিজেপি নেতাদের নাম ধরে ধরে রীতিমতো আক্রমণ শানান তিনি। দিলীপ ঘোষের উদ্দেশে বলেন, “আমি পরিষ্কার নাম ধরে বলছি দিলীপ ঘোষ গুণ্ডা!” সেই প্রতিক্রিয়ায় দিলীপ রবিবার বলেছিলেন, “আমি গুণ্ডাই, যাঁদের সঙ্গে গুণ্ডামি করতে হয়, তাঁদের সঙ্গে গুণ্ডামি করি।” যদিও সোমবারই এ নিয়ে অভিষেককে আইনি নোটিশ পাঠালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

ওই নোটিশে দিলীপ ঘোষের পক্ষ থেকে অভিষেকের সমালোচনা করে তাঁকে নিঃশর্তে ক্ষমা চাওয়ার জন্য ও দুঃখপ্রকাশের জন্যে ৩ দিন সময় দেওয়া হয়। যদি অভিষেক তা না করেন, তবে তাঁর বিরুদ্ধে আগামীদিনে আইনি ভাবে আরও কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

কিন্তু অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাওয়ায় শুক্রবার দিলীপ ঘোষের আইনজীবী পার্থ ঘোষ তৃণমূল সাংসদের বিরুদ্ধে মামলার চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে ফেললেন। আগামী সোমবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিরুদ্ধে হাইকোর্টে মামলা দায়ের করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

যদিও এ বিষয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকেও অভিষেকের মন্তব্যের সমর্থনই করা হয়েছে। এদিন তৃণমূল ভবনে মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন বলেন, ‘অভিষেকের সৎসাহস আছে তাই মঞ্চ এমন কথা বলতে পেরেছেন। গুন্ডামি মানুষ সিনেমায়, যাত্রায় বা নাটকে দেখতে ভালোবাসে কিন্তু নিজের এলাকায় দেখতে অভ্যস্ত নন। বাংলার মানুষ গুণ্ডাদের এখানে আমদানি করবে না।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।