স্টাফ রিপোর্টার, খড়গপুর: লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ সৌমিত্র খাঁর নামে দুর্নীতির অভিযোগ থাকায়, বাঁকুড়ায় ঢোকা নিয়ে নিষেধাজ্ঞা ছিল আদালতের। সেই পরিস্থিতিতে স্বামীর হয়ে প্রচারের জন্য ভোটের ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন সৌমিত্র খাঁর স্ত্রী সুজাতা খাঁ। স্বামীর অনুপস্থিতিতে প্রতিপক্ষের সঙ্গে লড়াই করে বিষ্ণুপুর আসনটি জিতিয়ে এনেছিলেন তিনি। সেই সুজাতাকেই খড়গপুর উপনির্বাচনের প্রচারে মাঠে নামালেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা স্থানীয় সাংসদ দিলীপ ঘোষ৷

খড়গপুরে এবার ত্রিমুখী লড়াই৷ আসনটি জেতার জন্য তৃণমূল, বিজেপি ও বাম-কংগ্রেস জোটের মধ্যে সমানে সমানে টক্কর চলছে৷ তারউপর ওই কেন্দ্রে বিজেপির ভোট কাটার জন্য প্রার্থী দিয়েছে শিবসেনা৷ এই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী প্রেমচাঁদ ঝাঁ৷ বৃহস্পতিবার তাঁর সমর্থনে হুড খোলা গাড়িতে খড়গপুর এলাকায় একটি রোড শো করেন সুজাতা। সঙ্গে ছিলেন দিলীপ ঘোষ৷

উল্লেখ্য, ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে দেশের মধ্যে সৌমিত্র খাঁ-ই একজন প্রার্থী ছিলেন যিনি এলাকায় না ঢুকে বিপুল ভোটে জিতেছেন৷ সেই জয়ের মূল কান্ডারী ছিলেন তাঁর স্ত্রী সুজাতা খাঁ৷ নির্বাচনী প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ম করে আক্রমণ করে রাজনৈতিক বাজার গরম করে দিয়েছিলেন সুজাতা৷ এমনকি মমতাকে ‘ডাইনি’ও বলেছিলেন তিনি৷ নরেন্দ্র মোদী পর্যন্ত দিল্লিতে ঘরভর্তি সাংসদদের সামনে প্রশংসা করে বলেছিলেন, সুজাতা লড়াকু নেত্রী৷ রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, বিষ্ণুপুরের কায়দাতেই খড়গপুর আসনটি জিততে চাইছে বিজেপি৷

তবে খড়গপুর শহরে প্রবেশ করলে যে কেউ স্বীকার করতে বাধ্য উপনির্বাচনী প্রচারে ধারে-ভারে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। ব্যানার-ফেস্টুন, সভা-সমাবেশ, মিছিলেও অন্যদের থেকে কয়েককদম এগিয়ে ঘাসফুল শিবির। এবার তারা খড়গপুরের জন্য আলাদা ইস্তাহারও প্রকাশ করেছে৷ তবে বিজেপি যেভাবে ঘুঁটি সাজাচ্ছে তাতে এত তোড়জোরের পরও কি তৃণমূলের ভাগ্যে শিকে ছিঁড়বে? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে খড়্গপুরে তৃণমূলের অন্দরে।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

Tree-bute: রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও