ফাইল ছবি

কলকাতা: আমফানের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড রাজ্যের বিস্তীর্ণ প্রান্ত। তবে ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে রাজ্যের এই ক্ষতির সঙ্গে জাতীয় বিপর্যয়ের তুলনা টানা ঠিক নয় বলেই মনে করে রাজ্য বিজেপি। রাজ্যে ঝড়ে ক্ষয়-ক্ষতি দেখতে আসা কেন্দ্রীয় দলকে এমনই জানিয়েছে দিলীপ ঘোষরা।

আমফানের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত কলকাতা-সহ রাজ্যের ৭ জেলা। তছনছ হয়ে গিয়েছে উপকূলবর্তী জেলাগুলির বিস্তীর্ণ এলাকা। ঝড়ের দাপটে লণ্ডভণ্ড হয়ে গিয়েছে দুই ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের বহু প্রান্ত।

প্রচুর কাঁচাবাড়ি, গাছ, পাঁচিল, বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়েছিল ঝড়ের দাপটে। এখনও বেশ কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থাও ঠিক হয়নি। দুই ২৪ পরগনার নদী-তীরবর্তী এলাকা-সহ বিভিন্ন এলাকাতেই এখনও ত্রাণের দাবিতে ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলছে।

সুন্দরবন এলাকার বহু অংশে এখনও সরকারি ত্রাণ শিবিরেই রয়েছেন বাসিন্দারা। ঘরবাড়ি উড়িয়ে নিয়ে গিয়েছে ভয়াল ঘূর্ণিঝড় আমফান। বহু এলাকাতেই ঝড়ের দাপটে ভেঙে গিয়েছে নদীবাঁধ। বাঁধের ভাঙা অংশ দিয়ে হু-হু করে জল ঢুকছে চাষের জমিতে। সবমিলিয়ে করোনার সংক্রমণের আবহেই ঘূর্ণিঝড় আমফান তছনছ করে দিয়েছে রাজ্যের একাংশকে।

যদিও ঝড়ে রাজ্যের এই ব্যাপক ক্ষতি সত্ত্বেও এখনই একে জাতীয় বিপর্যয় বলে মানতে নারাজ রাজ্য বিজেপি। এব্যাপারে রাজ্যে কেন্দ্র থেকে আসা দলকেও নিজেদের ব্যাখ্যা শুনিয়ে দিয়েছেন দিলীপ ঘোষরা। আমফান বিধ্বস্ত এলাকাগুলিতে কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে সমীক্ষা করানোর দাবি তুলেছে রাজ্য বিজেপি।

ঘূর্ণিঝড় আমফানের তাণ্ডবে লণ্ডভণ্ড বাংলার একাংশ। কলকাতা-সহ রাজ্যে ৭ জেলায় ঝড়ের দাপটে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিকে জাতীয় বিপর্যয় ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও মুখ্যমন্ত্রীর সেই দাবি মানতে নারাজ বিজেপি। রাজ্যে ঝড়ে ক্ষতির সমীক্ষার দাবি তুলেছে রাজ্য বিজেপি। এরই পাশাপাশি বাঁধ মেরামতির ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দায়িত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন দিলীপ ঘোষরা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.